লন্ডনে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মহানগর আওয়ামীলীগের আলোচনা সভা

940

আবুল কালাম: প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার ৩৬তম স্ব-দেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করেছে লন্ডন মহানগর আওয়ামীলীগ। গত ১৭ মে বুধবার পূর্ব লন্ডনের ব্রিকলেইনের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সভায় সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীসহ যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগও অন্যান্য অঙ্গসংগঠের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সংগঠনের সভাপতি নূরুল হক লালা মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলতাফুর রহমান মোজাহিদ এর পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক পররাস্ট্রমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ডা: দিপু মনি এমপি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরিফ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, সহ সভাপতি শাহ আজিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ চৌধুরী, প্রবাস বিষয়ক সম্পাদক আনছারুল হক, ইমিগ্রেশন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট এম করিম, লন্ডন মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ইলিয়াস মিয়া, শফিক আহমদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সুশান্ত দাস গুপ্ত, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক সুরমান হোসেন, সদস্য সৈয়দ তাজির উদ্দিন মন্নান, আবুল খয়ের, ধারা মিয়া, মজুমদার মিয়া, মুজিবুর রহমান মুজিব, রতন, গোলাম কিবরিয়া,

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাদ আহমদ সাদ, সহ সভাপতি মোসাদ্দিক হোসেন কামালী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সামছুল ইসলাম বাচ্চু, যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, আইনজীবি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অনুপম তালুকদার ডালটন, সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মইনুল ইসলাম মঞ্জু, যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জামাল আহমদ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, শ্রমিক লীগের আহবায়ক শামীম আহমদ, যুগ্ম আহবায়ক অরূপ চৌধুরী, ওয়েস্ট লন্ডন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান, ইস্ট লন্ডন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হালিম, সদস্য আব্দুস সত্তার, ছাত্রলীগের সহ সভাপতি সারোয়ার কবির, শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি আনোয়ার ইসলাম, কৃষক লীগের আহবায়ক সৈয়দ তারেক সহ অনেকে।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা: দিপু মনি এমপি বলেন পঁচাত্তর-পরবর্তী জিয়াউর রহমানের অপশাসনে দেশের মানুষের রুদ্ধশ্বাস অবস্থার সময়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দিবসটি তাই জাতির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর যারা ছিল অবহেলিত ও নির্যাতিত, ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনে ও তাঁর নেতৃত্বের পরশে তারা আবারও জেগে ওঠার সাহস ও প্রেরণা পেয়ে যায়। এ দিন শেখ হাসিনার নামে যথার্থই জেগে ওঠে বাংলাদেশ।

সভায় বক্তারা বলেন, ২০০৭ সালেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র হিসেবে বিদেশ থেকে দেশে যাওয়ার প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করা হয়। কিন্তু জনগনের প্রত্যাশা পূরনে তিনি দেশে ফিরেন এবং অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশকে আজ উন্নয়নের চরম শিখড়ে পৌছে দিচ্ছেন। তারা বলেন, বাংলাদেশকে সর্বক্ষেত্রে উন্নয়নের উদাহরন হিসেবে আখ্যায়িত করছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। এর ফলে দেশের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পেয়েছে বিদেশীদের কাছে। এবং বিশ্বের শক্তিধর দেশের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক গড়ে উঠছে।