ডোপটেস্ট পজিটিভ হলে চাকরি যাবে: ডিএমপি কমিশনার

237

ঢাকা সংবাদদাতা: মাদকসেবী সন্দেহভাজন পুলিশ সদস্যের ডোপটেস্ট করে রেজাল্ট পজিটিভ হলে তাকে চাকরি হারাতে হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, যেসব পুলিশ সদস্য মাদকের সাথে সম্পৃক্ত তাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি করা হচ্ছে। যে উদ্দেশ্য ও শক্তি নিয়ে আমরা মাদকের বিরুদ্ধে নেমেছিলাম তা অব্যাহত রাখতে হবে।

রোববার রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটরিয়ামে আয়োজিত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিট পুলিশিং ও গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ী থেকে প্রাপ্ত তথ্য কাজে লাগিয়ে মাদক সেবীদের তালিকা করতে হবে। আমরা মাদকসেবীদের তালিকা তৈরি করে তাদের অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ করে পুনর্বাসনে সহাযোগিতা করবো।

পথশিশুদের মাদকসেবনের বিষয়ে কমিশনার বলেন, যেসব পথশিশু মাদক ও ড্যান্ডি নিচ্ছে তাদের দিকে বিশেষ লক্ষ্য দিতে হবে। এরা ভবিষ্যতে ছিনতাইসহ অপরাধমূলক কাজে জড়িত হবার আশঙ্কা আছে। শিশুদের কাছে জুতার সলুশন আঠা যেসব দোকানদার বিক্রি করছে, তাদেরকে শিশুদের কাছে সলুশন আঠা বিক্রি না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করার নির্দেশ দেন তিনি।

উল্লেখ্য যে, ঢাকা মহানগর এলাকায় জুলাই মাসে উদ্ধারকৃত মাদকের পরিমাণ, গ্রেপ্তাত আসামিদের সংখ্যা ও এ সংক্রান্তে মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ডিএমপির মনিটরিং সেলের মাধ্যমে থানায় সেবা প্রত্যাশীদের সাথে যোগোযোগ করে দেখা যাচ্ছে, থানায় মামলা ও জিডি গ্রহণের ক্ষেত্রে পুলিশের আচরণে জনসাধারণ সন্তুষ্ট হচ্ছে। এটা আমাদের ধরে রাখতে হবে এবং সেবার মান আরও বাড়াতে হবে। এছাড়াও ঢাকা মহানগরীতে সংঘটিত হত্যা, ডাকাতি ও ছিনতাই মামলার ডিটেকশনের (ধরার) পরিমাণ অনেক ভালো বলে জানান ডিএমপি কমিশনার।

এ সময় জুলাই মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন কমিশনার।

ডিএমপির ক্রাইম বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে মিরপুর বিভাগ, ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে গোয়েন্দা তেজগাঁও বিভাগ এবং ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে যৌথভাবে প্রথম হয়েছে গুলশান ও উত্তরা বিভাগ। সন্তুষ্টজনক কাজের জন্য ৩৭ জনকে ডিএমপির মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার।