বলিউডে তিন খান যেসব ছবিতে ফ্লপ

1040

বিনোদন ডেস্ক: বলিউডের বিশাল অংশজুড়ে বিস্তৃত খান-সাম্রাজ্য। যে সাম্রাজ্যের মালিক তিনজন—শাহরুখ খান, সালমান খান ও আমির খান। তাঁদের ছবি মানেই বড় বাজেট, বক্স-অফিসের রেকর্ডের ভাঙচুর, বড় অঙ্কের মুনাফা। তবে ২০১৭ সালে এসে অনেকেই খান-সাম্রাজ্যের আসন্ন পতন দেখতে পাচ্ছেন।

যুক্তি হিসেবে তাঁরা কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন ‘রইস’, ‘টিউবলাইট’ ও ‘যাব হ্যারি মেট সেজাল’—এই তিন ছবিকে। বক্স-অফিসে ‘রইস’ ও ‘টিউবলাইট’ মোটামুটি মানের সাফল্য পেলেও তা খানদের আগের সাফল্যের তুলনায় বেমানান। আর বক্স-অফিসে তো একপ্রকার মুখ থুবড়েই পড়েছে শাহরুখের ‘যাব হ্যারি মেট সেজাল’।

দুই খানের এই বেহাল অবস্থায় ক্যামিও চরিত্রে অভিনয় করা আমির খানের ‘সিক্রেট সুপারস্টার’ নিয়ে শঙ্কায় আছেন বলিউড-সংশ্লিষ্টরা। তবে মজার বিষয় হলো, খানদের এই ব্যর্থতার গল্প কিন্তু নতুন নয়। গত ১০ বছরে সাফল্যের পাশাপাশি প্রচুর ফ্লপ ছবি উপহার দিয়েছেন এই তিন খান। কিন্তু তারকাখ্যাতির কারণে প্রতিবারই পার পেয়েছেন তাঁরা। বলিউড লাইফ ডটকমের সৌজন্যে চলুন দেখে নিই বলিউড খানদের গত ১০ বছরে ফ্লপ ছবির তালিকা।

শাহরুখ খান

বিল্লু বারবার (২০০৯), বক্স-অফিসের আয় ২৩ কোটি রুপি।

যাব হ্যারি মেট সেজাল (২০১৭), বক্স-অফিসের আয় ৬৪ কোটি রুপি।

ফ্যান (২০১৬), বক্স-অফিসের আয় ৮৪ কোটি রুপি।

সালমান খান

ম্যারিগোল্ড (২০০৭), বক্স-অফিসের আয় ৯০ লাখ রুপি

ম্যায় অর মিসেস খান্না (২০০৯), বক্স-অফিসের আয় সাড়ে সাত কোটি রুপি।

গড তুসি গ্রেট হো (২০০৮), বক্স-অফিসের আয় সাড়ে ১২ কোটি রুপি।

হিরোস (২০০৮), বক্স-অফিসের আয় ১৩ কোটি রুপি।

যুবরাজ (২০০৮), বক্স-অফিসের আয় ১৭ কোটি রুপি।

সালাম-ই-ইশক (২০০৩), বক্স-অফিসের আয় ২৩ কোটি রুপি।

লন্ডন ড্রিমস (২০০৯), বক্স-অফিসের আয় ২৬ কোটি রুপি।

বীর (২০০৯), বক্স-অফিসের আয় ৩৮ কোটি রুপি।

জয় হো (২০১৪), বক্স-অফিসের আয় ১১৬ কোটি রুপি।

টিউবলাইট (২০১৭), বক্স-অফিসের আয় ১১৯ কোটি রুপি।

আমির খান

ধোবি ঘাট (২০১১), বক্স-অফিসের আয় ১৪ কোটি রুপি।

তালাশ (২০১২), বক্স-অফিসের আয় ৯১ কোটি রুপি।