মো: রেজাউল করিম মৃধা: ৮ জুন থেকে ব্রিটেনে প্রবেশ করলে প্রত্যোককেই ১৪ দিনের আইসোলেশনে থাকতে হবে। এমন আইনের বিরোধীতা করছে ট্রাভেল ইন্ড্রাটিগুলো। তারা বলছে এর ফলে পর্যটকদের ব্রিটেন ভ্রমনে বাঁধা দিবে এবং অনেকেই চাকুরি হারবেন।
ব্রিটেনের বৃহত্তম এয়ারপোর্ট পরিসেবা কোম্পানী সুইসস্পোর্ট এর পরিচালক বলেছেন, এই পরিকল্পনা পর্যটন খাতকে ধ্বংস করবে। আর রায়ানায়ার কোম্পানীর বস মাইকেল ওলারি বলেছে এই প্রদক্ষেপ ইউরোপের পর্যটকদের উল্লেখ্যযোগ্য সংখ্যায় হ্রাস করবে।
তিনি আরো উল্লেখ্য করে ইউরোপের বেশিরভাগ মানুষ ব্রিটেনের তুলনায় কম মারাগেচেন করোনায় আক্রান্ত হয়ে।
তিনি বিবিসিকে বলেন, যেখানে ইতালি, গ্রীস, স্পেন এবং পর্তুগাল পর্যটকদের জন্য খুলে দেয়া হচ্ছে সেখানে ব্রিটেন বন্ধ করছে।
২০০ বেশি ট্রাভেল কোম্পানী সরকারের কোরানন্টিন আইনের বিরোধী করছে।
এদিকে সরকার জানিয়েছে আগামী রবিবার থেকে যেসকল যাত্রী বিমানে, ফেরি বা ট্রেনে করে ব্রিটেনে প্রবেশ করবেন তাদেরকে ঠিকান প্রদান করতে হবে এবং তারা সেখানে ১৪ দিন থাকতে হবে।
তারা এই আইন মানছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখা হবে। ইংল্যান্ডে কেউ আইন ভঙ্গ করলে তাকে ১০০০ পাউন্ড পর্যন্ত জরিমান দিতে হতে পারে।
এদিকে বিমান সংস্থাগুলো বলছে কোন কোন দেশের মানুষের জন্য এই আইন প্রযোয্য তা আরো পরিস্কার করা প্রয়োজন।
বৃটিশ পার্লামেন্টে, হোম সেক্রেটারী প্রীতি প্যাটেল করোনাভাইরস মহামারিতে সকল নাগরিকের সুস্থতা এবং নতুন করে যেন আক্রান্ত না হয় সেই সতর্কতা ও সাবধানতা অবলম্বন করে ঘোষনা করেন। এখন থেকে ব্রিটেনে যেই প্রবেশ করবেন তারে বাধ্যতামূলেক ১৪ দিন কোয়ারেন্টেনে থাকতে হবে।
আকাশ পথে, সমুদ্র পথে, নৌ পথে, রেল পথে, সড়ক পথে, হাঁটা পথসহ যে যে ভাবেই প্রবেশ করুন না কেন তাকে সেই স্থানের নির্দিষ্ট হোম কোয়ারেন্টে ১৪ দিন থাকতে হবে। এই আদেশের ব্যাত্যয় হলে তাকে স্পট চেক এবং এক হাজার পাউন্ড জরিমানা করা হবে। জরিমানা দিকে অস্বীকার করলে জেল খাটতে হবে।
যদিও এতে অর্থনৈতিক ভাবে বেশ ক্ষতির মুখে পরবে । পর্যোটকরা বৃটেনে আসবে না এবং সেই সাথে বৃটিশরা ও অন্যান্য দেশে ভ্রমনে যাবেন না।তারপরও সকল জনসাধারনের কথা বিবেচনা করেই এই ঘোষনা দেন হোম সেক্রেটারি প্রীতি প্যাটেল।
বিদেশ থেকে আসা প্রত্যেকের জন্য ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। কার্যকর হবে ৮ জুন ২০২০ থেকে। এই ঘোষণার পাশাপাশি কোয়ারেন্টাইন না মানলে জরিমানা কিংবা মামলা হতে পারে বলে সতর্ক করেন হোম সেক্রেটারী প্রীতি প্যাটেল।















