সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ত্রাণ সহায়তা পাবেন ৪০ হাজার পরিবার

394

সিলেট সংবাদদাতা: করোনা পরিস্থিতিতে বিশেষ মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ত্রাণ সহায়তা পাবেন ৪০ হাজার নিম্ন আয়ের মানুষ। এই কর্মসূচি মে মাস থেকে বাস্তবায়ন শুরু হবে। এই কর্মসূচিতে প্রতিমাসে প্রত্যেক উপকারভোগি পরিবার ২০ কেজি করে চাল পাবেন।

শরিবার দুপুরে নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে কর্মসূচির বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

বিশেষ মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়নে সিসিকের কমিটির উপদেষ্টা হিসাবে সিলেট ১ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ভিডিও কনফারেন্সে সভায় যুক্ত ছিলেন।

সভায় নিম্ন আয়ের অসহায় মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়নে সিসিকের ওয়ার্ডভিত্তিক উপকারভোগিদের স্বচ্ছ তালিকা প্রণয়নের উপর গুরুত্ব দেয়া হয়।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আসলাম উদ্দিন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম নাদেল, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদ, ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ইলিয়াছুর রহমান, ১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তারেক উদ্দিন তাজ, ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শান্তুনু দত্ত সন্তু, ১৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ছয়ফুল আমিন বাকের, ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মুহিত জাবেদ, ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রাশেদ আহমদ, ১৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ বি এম জিল্লুর রহমান উজ্জল, ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এস এম শওকত আমিন তৌহিদ, ২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আজাদুর রহমান আজাদ, ২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাকবির ইসলাম পিন্টু, ২৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ তৌফিক বকস লিপন, সিলেট মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাধুরী গুন, হেলেন আহমদ, সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রুহুল আলম, প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হানিফুর রহমান প্রমুখ। এ কর্মসূচির আওতায় করোনা পরিস্থিতিতে খাদ্য সংকটে পড়া কর্মহীন মানুষ ত্রাণ সহায়তা পাবেন। বিশেষ মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে যারা সহায়তা পাবেন তারা হলেন, ভাসমান মানুষ, বেকার শ্রমিক, পরিবহন শ্রমিক, রেস্টুরেন্ট শ্রমিক, চা শ্রমিক, প্রতিবন্ধি, বয়স্ক ব্যক্তি, ভিক্ষুক, ভবঘুরে, ফেরিওয়ালা, চা দোকানদার, দিন মজুর, রিক্সা/ভ্যান চালক, বিধবা নারী, পথশিশু, বেদে ও হিজড়া সম্প্রদায় এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার।