ঢাকা সংবাদদাতা: হটলাইন চালু হওয়ার মাত্র ১০ কর্মদিবসেই এক লাখ ছাড়িয়েছে দুর্নীতির অভিযোগ। গত ২৬ জুলাই থেকে চালু হওয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জমা পড়েছে এক লাখ ১২ হাজার ৫০০টি অভিযোগ।
এসব অভিযোগের মধ্যে আর্থিক অনিয়ম ও ঘুষ লেনদেনের বিষয় যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে স্বামী-স্ত্রীর বিরোধসহ নানা কিছু। তবে যাচাই-বাছাই করে মাত্র ৩০০টি আবেদন অনুসন্ধানের জন্য বাছাই করা সম্ভব হয়েছে বলে জানালেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
চেয়ারম্যান জানালেন, অভিযোগকারীরা ভূমি দখল, মাদক ব্যবসা, পুলিশি হয়রানি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি, পাসপোর্ট পেতে হয়রানি, ভিজিএফ, কাবিখা, কাবিটা ও সরকারি ত্রাণ কার্যক্রম এবং নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ জানাচ্ছেন সবচেয়ে বেশি। তবে বেশির ভাগ অভিযোগই পূর্ণাঙ্গ নয়। অর্থাৎ অনুসন্ধানের জন্য সঠিক তথ্য দিতে পারছেন না অভিযোগকারীরা। এরপরও প্রতিটি অভিযোগই গুরুত্ব দিয়ে যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কমিশন।
সরাসরি দুর্নীতির অভিযোগ পেতে দুদক দুই সপ্তাহ আগে চালু করে হটলাইন সেবা এক শূন্য ছয়। টোল ফ্রি এই নম্বরে ফোন করে যে কেউ প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ করতে পারবেন। সেবাটি চালুর পর থেকে প্রতিদিন গড়ে অভিযোগ পড়ছে এক হাজার ২০০টি। প্রাথমিক অবস্থায় এই সাড়াকে ইতিবাচক বলে মনে করছেন ইকবাল মাহমুদ।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘মানুষকে অনাহূতভাবে হয়রানি করাটা আমরা চাই না এবং আমরা মামলা করার জন্য একেবারে উদগ্রীব হয়ে আছি বাঘের মতো এভাবে ইয়ে হয়ে আছি (দুই হাতে বাঘের থাবা দেখিয়ে), নো। আমরা মামলা যতসংখ্যক কম করতে চাই এবং আমরা মামলায় যে শাস্তি, মামলার শাস্তিটা আমরা চাই শতভাগ করার জন্য। এই জন্য আমরা কোয়ালিটি নিয়ে উই আর কনসার্ন নাও।’
ইকবাল মাহমুদ আরো বলেন, ‘কলের কোয়ালিটি ইজ পুওর। কলের ভলিউম বেশি। অনেক কল আসছে। কিন্তু কোয়ালিটি যেগুলো খুবই কম। ওই কমের মধ্যেও আবার প্রবলেম হচ্ছে স্পেসিফিক না। কার বিরুদ্ধে অভিযোগ নামটা বলতে পারছে না, কোন কর্মকর্তা, কোন প্রতিষ্ঠানের। নানা সমস্যা, তবে একটা জিনিস হয়েছে সেটি হচ্ছে যে মানুষ অভিযোগ করার একটা জায়গা পেয়েছে।’
অটো হান্টিং পদ্ধতিতে পাঁচটি টেলিফোনে দুর্নীতির তথ্য রেকর্ড করছেন হটলাইনের কর্মীরা। তাঁরা জানান, প্রাথমিক অবস্থায় কিছু যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলেও সেগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে কমিশন।















