পর্তুগালে‌ বৈধতা পেলেন অবৈধ অভিবাসীরা বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশির দুশ্চিন্তার অবসান

3969

ওয়ানবাংলানিউজ: করোনা ভাইরাসের আক্রমণে যখন বিপর্যস্ত বিশ্ব তখন মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ইউরোপীয় দেশ পর্তুগাল। দেশটিতে বসবাসকারী বৈধ কাগজপত্রহীন অভিবাসীরা যাতে এই দুঃসময়ে সরকারি সেবাবঞ্চিত না থাকে সরকার এক আদেশে অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতার ঘোষণা দিয়েছে। সরকারের এই ঘোষণায় উপকৃত হবেন বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশিও। গত শুক্রবার রাতে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

এতে বলা হয়, কোভিড-১৯ এর মতো বৈশ্বিক দুর্যোগে যেসব অভিবাসী বৈধ কাগজ না থাকায় সরকারি বিভিন্ন সেবা, জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা, স্যোশাল সিকিউরিটি থেকে সহায়তা পাচ্ছেন না তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার সব অনিয়মিত অভিবাসীদের নিয়মিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অ্যাসাইলামের মাধ্যমে আশ্রয়প্রার্থীরাও এর আওতাধীন থাকবেন

ঘোষণায় আরও বলা হয়, আপাতত চলতি বছরের ১ জুলাই পর্যন্ত এটি জারি থাকতে পারে। ১৮ মার্চ পর্তুগালে জরুরি অবস্থা জারির দিন পর্যন্ত যারা ইমিগ্রেশন সেন্টারে নিয়মিত হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন তারা এর আওতাধীন থাকবেন, ইমিগ্রেশন আর্টিকেল ৮৮ ও ৮৯, ৯০ অনুচ্ছেদের অধীনে যারা আবেদন করেছেন।

এ ব্যাপারে লিসবনে বাংলাদেশ মিশনের রাষ্ট্রদূত মো. রুহুল আলম সিদ্দিকী সংবাদমাধ্যম বিডিনিউজকে বলেন, “এমন একটি খবর খুবই আনন্দের। বিশেষ করে অনিয়মিত বাংলাদেশি যারা রয়েছেন তাদের অনেকেই উদ্বিগ্ন ছিলেন। আমি মানবিক পর্তুগিজ সরকারকে অভিনন্দন জানাই।”

রাষ্ট্রদূত জানান, দূতাবাসে ২০১৮ সালে মোট ৬৬৫ জন এবং ২০১৯ সালে মোট ১ হাজার ৮৫১ জন অনিয়মিত অভিবাসী নিবন্ধন করেন। তবে তাদের বেশিরভাগই ভিসাবিহীন। ধারণা করা যাচ্ছে ভিসাবিহীন ও ভিসাসহ মোট তিন থেকে চার হাজার বাংলাদেশি এ মুহূর্তে পর্তুগালে অবস্থান করছেন