আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ১৩ বছরের কিশোর ছাত্রের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন এক শিক্ষকা। যুক্তরাষ্ট্রের হিউজটনে ঘটনাটি ঘটেছে। ২৪ বছরের ওই শিক্ষিকার নাম আলেকজান্দ্রিয়া ভেরা। ডেইলি মেইলের খবরে বলা হয়, বেশ কয়েক মাস কিশোর ছাত্রের সঙ্গে সম্পর্ক চলে ওই শিক্ষিকার। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে ওই শিক্ষকা আত্মগোপনে চলে যান। এরই এক পর্যায়ে নিজের ভুল বুঝতে পেরে গত বুধবার বিকেলে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।
পুলিশ জানায়, ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে। আত্মসমর্পণের পর তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে এক লাখ ডলারের বিনিময়ে আদালত তাকে জামিন দেন। এ বিষয়ে শিক্ষিকা এটর্নি অফিসকে জানায়, স্টোভাল মিডল স্কুলের শিক্ষিকা ভেরা অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই কিশোরের প্রেমে পড়েন। এরপর ওই ছাত্রের সঙ্গে সখ্যতা করে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন ওই শিক্ষিকা। একদিন ক্লাস বাদ দিয়ে ইনস্টাগ্রামে শিক্ষিকার ফোন নম্বর চেয়ে একটি মেসেজ পাঠায় ওই ছাত্র। তাতে কিশোর ওই শিক্ষিকার কাছে জানতে চায় তারা কি একান্তে কিছু সময় কাটাতে পারবে কি-না।
এর পরের দিনই শিক্ষিকা নিজে গাড়ি চালিয়ে চলে যান ওই ছাত্রের বাসায়। তখন কিশোরের বাবা-মা বাসায় ছিলেন না। ওইদিনই প্রথমবার তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে বেশ কয়েকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়।এর এক পর্যায়ে ওই শিক্ষিকা অন্তঃসত্ত্বা হন।
এদিকে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর ভেরা ওই ছাত্রের বাবা-মার সঙ্গে দেখা করেন। তাদের ওই শিক্ষকা বলেন, তিনি তাদের ছেলের গার্লফ্রেন্ড। আর গত জানুয়ারিতে ভেরা এও জানান, তিনি অন্তঃসত্ত্বা, এর জন্য দায়ী ওই ছাত্র। পরে বিষয়টি ওই ছাত্রের বাবা-মা স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানায়। এ খবরে গত এপ্রিলে শিক্ষিকা ভেরাকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে পাঠায় তার প্রতিষ্ঠান।
ভেরার স্কুলের এক শিক্ষার্থী জানায়, ক্লাসের মধ্যেই অভিযুক্ত ছাত্র তার শিক্ষিকাকে জড়িয়ে ধরতো। এটা সবাই দেখেছে। ক্লাসে তারা অসংলগ্ন কথাবার্তাও বলতো। বর্তমানে ওই ছাত্রের বয়স ১৪ বছর। এদিকে শিক্ষিকা ভেরার ৪ বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে ভেরা টেক্সাসের এক বাসায় বসবাস করতেন। তবে তার আগের বয়ফেন্ড সম্পর্কে গণমাধ্যমমের খবরে কিছু বলা হয়নি।















