রাজতন্ত্র যেভাবে চলছে সেভাবে আর চলতে পারে না: প্রিন্স হ্যারি

1892

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রিটেনের রানী এলিজাবেথের নাতি প্রিন্স হ্যারির রাজপরিবার নিয়ে এতটাই মোহভঙ্গ হয়েছিলো যে তিনি বেরিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। যুবরাজের খেতাবও বর্জন করার মনস্থ করেছিলেন যুবরাজ চার্লস ও প্রয়াত প্রিন্সেস ডায়ানার ছোটো ছেলে।

ব্রিটেনের মেইল অন সানডে পত্রিকার সাথে এক সাক্ষাৎকারে ব্রিটেনের রানী এলিজাবেথের নাতি প্রিন্স হ্যারি বলেছেন রাজপরিবার নিয়ে একসময় তার এতটাই মোহভঙ্গ হয়েছিলো যে তিনি এই পরিবার ত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। খবর বিবিসির।

৩২ বছরের প্রিন্স হ্যারি বলেন, সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে পেরে তিনি হাফ ছেড়ে বেঁচেছিলেন। মোট ১০ বছর ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে ছিলেন তিনি। দু দফায় আফগানিস্তানে দায়িত্ব পালন করেছেন। মিডিয়াতে তার আফগানিস্তানে মোতায়েনের খবর ফাঁস হওয়ার পর নিরাপত্তার আশঙ্কায় তিনি সেনাবাহিনী ছাড়েন।

সেনাবাহিনী ছাড়ার পর থেকে তিনি নানারকম দাতব্য কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়ে পড়েন। হ্যারি বলেন, তার প্রয়াত মায়ের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন তিনি। ‘দাতব্য কাজ আমার খুব ভালো। মানুষের সাথে মিশতে ভালো লাগে।’

গত সপ্তাহে মার্কিন সাময়িকী নিউজউইকের সাথে এক সাক্ষাৎকারে প্রিন্স হ্যারি বলেন, রাজপরিবারের কেউই সিংহাসন চায়না।রাজপরিবারে একজনও কি আছে যিনি রাজা বা রানি হতে চান? আমার তা মনে হয়না…’

হ্যারি বলেন, রাজপরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়েও তার চিন্তাভাবনা রয়েছে। ‘রাজতন্ত্র যাতে টিকে থাকে, তার চেষ্টা আমরা করে যাবো…কিন্তু রানির আমলে রাজতন্ত্র যেভাবে চলছে সেভাবে আর চলতে পারেনা। পরিবর্তন আসছে, সবকিছু ঠিকঠাক-মতো করার জন্য চাপ বাড়বে।’

হ্যারি বলেন, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে সবকিছু খুব দ্রুত বদলে যাচ্ছে। ‘সুতরাং রাজতন্ত্রের আধুনিকায়নে আমরা কাজ করছি।’