ঢাকা সংবাদদাতা: চারিদিকে কেবলই মানুষ। যতদূর চোখ যায়, শুধু মানুষের ভিড়। সবাই অপেক্ষা করছেন। শেষবারের মতো আসবেন তাঁদের প্রিয় নেতা। সভা-সমাবেশে এর আগেও লালদীঘি ময়দানে বহুবার এসেছেন এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। আজ শুক্রবার এলেন শেষবারের মতো। হাজার হাজার মানুষ বিদায় জানালেন তাঁদের প্রিয় নেতাকে।
লালদীঘি ময়দানে গার্ড অব অনার ও জানাজা শেষে সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরীর মরদেহ নেওয়া হয় চশমা হিল মসজিদের সামনে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে চশমা হিল এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত হন মহিউদ্দিন চৌধুরী।
সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর মরদেহ যখন লালদীঘি ময়দানে আনা হয়, তখন ঘড়ির কাঁটা ৪টা ছাড়িয়েছে। ময়দানে তখন তিলধারণের ঠাঁই নেই। সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা সাবেক মেয়রকে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন। ছিলেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা।
লালদীঘি ময়দানে পুলিশ গার্ড অব অনার দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন চৌধুরীকে।
এরপর হজরত গরীব উল্লাহ শাহ মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আনিসুজ্জামান জানাজা পড়ান। এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, এনামুল হক শামীম, পানিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার, যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরীসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ জানাজায় অংশ নেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মহিউদ্দিন চৌধুরীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এরপর অন্যান্য সংগঠন ফুল দিয়ে নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে।
জানাজার সময় নগরীর কোতোয়ালি থেকে সিনেমা প্যালেস, লালদীঘি হয়ে আন্দরকিল্লা ও জেল রোড পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে হাজার হাজার মানুষ।
এর আগে বেলা ৩টায় মহিউদ্দিন চৌধুরীর মরদেহ চশমা হিলের বাসা থেকে নেওয়া হয় নগর আওয়ামী লীগের কার্যালয় দারুল ফজলের সামনে। সেখানে দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বসাধারণ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।















