সাইফ হাসান: ইংল্যান্ডে এডিএইচডি রোগীদের চিকিৎসায় বড় ধরণের জটিলতা তৈরি হয়েছে কারণ প্রাইভেট ক্লিনিক থেকে রোগীরা আবারও এনএইচএসে ফিরে আসছেন। জিপিরা প্রাইভেট ক্লিনিকের সাথে ‘শেয়ারড কেয়ার’ চুক্তি বাতিল করায় অনেক রোগী এখন ওষুধ ও চিকিৎসা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। একদিকে ওষুধের উচ্চমূল্য এবং অন্যদিকে এনএইচএসে দীর্ঘ অপেক্ষার তালিকা রোগীদের ভোগান্তিকে চরম পর্যায়ে নিয়ে গেছে। ট্রাস্টগুলো সতর্ক করেছে যে প্রাইভেট খাতের অব্যবস্থাপনার চাপ এখন সরকারি স্বাস্থ্যসেবার ওপর পড়ছে।
মিডল্যান্ডস পার্টনারশিপ ইউনিভার্সিটি এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট জানিয়েছে, প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোর অনেক অ্যাসেসমেন্ট সঠিক নির্দেশিকা বা ‘নাইস’ গাইডলাইন মেনে করা হচ্ছে না। ফলে জিপিরা সেই প্রেসক্রিপশন গ্রহণ করতে চাইছেন না এবং রোগীরা বাধ্য হয়ে এনএইচএসে ফিরে আসছেন। এতে অপেক্ষমাণ তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে এবং নতুন বা জটিল রোগীদের সেবা পেতে দেরি হচ্ছে।
একজন ভুক্তভোগী অভিভাবক জানান, তার ছেলের চিকিৎসা হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কারণ জিপি ওই প্রাইভেট ক্লিনিকের সাথে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ওষুধ ছাড়া তার ছেলে কাজে মনোযোগ দিতে পারছেন না এবং তীব্র উদ্বেগে ভুগছেন। যারা প্রাইভেটভাবে ওষুধ চালিয়ে যেতে চান তাদের মাসে ২০০ পাউন্ডের বেশি খরচ করতে হচ্ছে যা অনেকের সামর্থ্যের বাইরে।
বর্তমানে ইংল্যান্ডে ৫ লাখেরও বেশি মানুষ এডিএইচডি মূল্যায়নের জন্য অপেক্ষা করছেন এবং এনএইচএস এই খাতে বছরে ১৬৪ মিলিয়ন পাউন্ড অতিরিক্ত খরচ করছে। স্বাস্থ্য সচিব ওয়েস স্ট্রিটিং স্বীকার করেছেন যে সরকার বর্ধিত চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে। যদিও রোগীরা ‘রাইট টু চুজ’ এর মাধ্যমে প্রাইভেট প্রোভাইডার বেছে নিতে পারেন, কিন্তু তদারকির অভাবে সেখানেও বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে।
#যুক্তরাজ্য #স্বাস্থ্যসেবা #এনএইচএস #aknews #onebanglanews















