সাইফ হাসান: তীব্র বিতর্কের মুখে প্রিন্স অ্যান্ড্রু তার ডিউক অব ইয়র্কসহ সকল রাজকীয় উপাধি ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সাথে সম্পর্কের জেরে রাজপরিবার এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে আগামী অন্তত ছয় মাস তাকে কোনো রাজকীয় অনুষ্ঠানে দেখা যাবে না। তবে উপাধি হারালেও উইন্ডসরের বিলাসবহুল বাড়িতে তার জীবনযাত্রায় তেমন কোনো পরিবর্তন আসছে না।
বাকিংহাম প্যালেস সূত্রের খবর, রাজা চার্লস এবং প্রিন্স উইলিয়ামের চাপেই অ্যান্ড্রুকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। প্রিন্স উইলিয়াম তার চাচা অ্যান্ড্রুকে প্রকাশ্যে দেখতে একেবারেই নারাজ। মূলত, অ্যান্ড্রুকে ঘিরে একের পর এক তৈরি হওয়া কেলেঙ্কারি থেকে রাজপরিবারকে বাঁচাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অ্যান্ড্রু এখন থেকে আর কোনো অনুষ্ঠানে ডিউক অব ইয়র্ক উপাধি ব্যবহার করতে পারবেন না।
এই পদক্ষেপে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর সম্মানহানি হলেও তার দৈনন্দিন জীবনে খুব বেশি প্রভাব পড়বে না। তিনি প্রিন্স হিসেবেই থাকছেন এবং ২০৭৮ সাল পর্যন্ত লিজ নেওয়া রয়্যাল লজে বসবাস করবেন। তার সাবেক স্ত্রী সারাহ ফার্গুসনও তার সাথেই থাকছেন। উপাধি ত্যাগের বিবৃতিতে অ্যান্ড্রু কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেননি, যা নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
রাজপরিবার আশা করছে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সব বিতর্ক থেমে যাবে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শিরোনাম থেকে অ্যান্ড্রুর নাম সহজে মুছবে না। জেফরি এপস্টাইনের শিকার ভার্জিনিয়া জিফ্রের আত্মজীবনী প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, যা নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিতে পারে। এছাড়া এপস্টাইন সংক্রান্ত আরও নথি প্রকাশের জন্য অ্যান্ড্রুর ওপর চাপ অব্যাহত থাকবে।














