দক্ষিণ সুরমা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সাইফুল-শামিম

367

সিলেট সংবদদাতা: কাউন্সিলরদের ভোটে গঠিত হলো সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি।
কমিটিতে সভাপতি হিসেবে সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল আলম পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট শামিম আহমদ। দুই পদে মিলে প্রায় একডজন প্রার্থী থেকে কাউন্সিলরদের ভোটে তারা দুইজন নির্বাচিত হন।

সভাপতি পদে ১৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল আলম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহ সমির উদ্দিন ৯৩ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া আব্দুর রব ৫৭ ভোট, তপন চন্দ্র পাল ২৭ ভোট, মকবুল হোসেন মাখন ২১ ভোট ও শাহেদ আহমদ ৯ ভোট পেয়েছেন। সভাপতি পদে ৬ জন প্রার্থী ছিলেন।

এদিকে ১০৯ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট শামীম আহমদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বদরুল ইসলাম পেয়েছেন ১০১ ভোট, রাজ্জাক হোসেন ৮৮ ভোট, ফখরুল ইসলাম শায়েস্তা ৬৪ ভোট পেয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে ৪ জন প্রার্থী ছিলেন।

এর আগে সোমবার দুপুরে কুচাই ইসরাব আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। সম্মেলন ঘিরে সকাল থেকেই বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল এসে জড়ো হতে থাকে সম্মেলনস্থলে।

সম্মেলনে উদ্বোধন করেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ও সিলেট মহানগর সভাপতি, সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান।

প্রধান বক্তা ছিলেন, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি শফিকুর রহমান চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী এমপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হাজী ফারুক আহমদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো. কবির উদ্দিন আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোহাম্মদ বদরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, মইনুল ইসলাম, শহীদুর রহমান শাহীন ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবু জাহিদ প্রমুখ।

সম্মেলনের পর সন্ধ্যায় শুরু হয় কাউন্সিল। প্রথমে সমঝোতার মাধ্যমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের প্রস্তাব রাখা হলেও পরে তৃণমূল আওয়ামী লীগের ইচ্ছাতেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হয়।

এর আগে ওসমানীনগর, বালাগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, কানাইঘাট ও জকিগঞ্জসহ মোট ৭ টি উপজেলায় কেন্দ্রের হস্তক্ষেপে সমঝোতার মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হলেও এখনো আটকে আছে গোলাপগঞ্জ উপজেলা কমিটি। আর দক্ষিণ সুরমা ও বিয়ানীবাজার এ দুই উপজেলায় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটের মাধ্যমেই কমিটি গঠন করা হয়।