ওয়ানবাংলানিউজ: ১১ অক্টোবর শুক্রবার বুয়েট শিক্ষার্থী আবরারকে অবর্ণনীয় নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যার প্রতিবাদে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টস মুভমেন্ট ফর বাংলাদেশ এর উদ্যোগে পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সলিডারিটি ফর হিউম্যান রাইটস ইন ইউকে, রাইটস কনসার্ন ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিপিপি, কুইন ম্যারি, মিডলসেক্স, লন্ডন, সাউথব্যাংক ইউনিভার্সিটি, ওয়েলসের কার্ডিফ ইউনিভার্সিটিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ছাত্র, শিক্ষক, পেশাজীবী, সাংবাদিকসহ বাংলাদেশী কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ যোগদান করেন।
ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টস মুভমেন্ট ফর বাংলাদেশ এর উপদেষ্টা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী ব্যারিষ্টার আবু সায়েম মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশের মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর উপস্থিতিতে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তাগণ বলেন, একজন নিরীহ ছাত্রকে শুধুমাত্র একটি ফেইস বুক স্ট্যাটাসের কারণে নির্মম নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা নিশ্চিত করা হয়। ছাত্রলীগ নামের রাজনৈতিক সংগঠনের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৈশাচিক কায়দায় নির্যাতন করার জন্য টর্চার সেল তৈরী করে রেখেছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাধারণ শিক্ষার্থীগণ নিরবে নির্যাতন সহ্য করছে গত ১০ বছর। বক্তাগণ আরো বলেন ছাত্রলীগ একটি সন্ত্রাসী সংগঠন এটাকে এখনী বন্ধ করতে হবে। শুধু আবরার একা নয় এর আগে আমরা দেখেছি প্রকাশ্যে দিবালোকে ক্যামেরার সামনে বিশ্বজিৎকে শিবির আখ্যা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এই কাতারে আছে জনি, নুরু, বাপ্পী, মিলন সহ শত শত ছাত্রনেতা ও সাধারণ ছাত্র। তাই অনতি বিলম্বে শুধু বুয়েট নয় সারা বাংলাদেশে ছাত্রলীগ নামে সন্ত্রাসী সংগঠনের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। আর যদি তা না হয় সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তারা বলেন লোক দেখানো গ্রেফতার কিংবা বহিষ্কার করলে চলবে না অতিদ্রুত বিচার সুনিশ্চিত করতে হবে।
বক্তাগণ আরো বলেন সরকার ফেনী নদীর পানি কার স্বার্থে ভারতে দিয়েছে। বাংলাদেশের জনগণের কথা তোয়াক্কা না করেই ভারতে পানি দেয়া হচ্ছে। শুধু পানি নয় বাংলাদেশের পুরো সার্বভৌমত্বই ভারতের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। রাডার বসানোর নামে বঙ্গপোসাগর থেকে সম্পদ আরোহনের পায়তারা করছে ভারত। তারা সবাইকে সজাগ থাকার আহবান জানান।
অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ড. আবুল হাসনাত, মামনুন মহিউদ্দিন, সলিডারিটি ফর হিউম্যান রাইটস ইন ইউকে’র পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর আবদুল কাদির সালেহ, কে এম আবু তাহের চৌধুরী, মো: সিরাজুল ইসলাম, রাইটস কনসার্ন পক্ষে শরিফ মোহাম্মদ খান প্রমুখ।
বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম, নেতা আবেদ রাজা, ফখরুল ইসলাম বাদল, যুবনেতা আবদুল বাসিত, সাবেক ছাত্রনেতা আবু নাসের শেখ, মোস্তাফিজুর রহমান, শেখ নাসির উদ্দিন, শামীম খান, ইমতিয়াজ এনাম তানিম, রাসেল শাহরিয়ার, মাসুদুর রহমান, এম আবদুর রহিম, মহিলা নেত্রী অঞ্জনা আলম, শামীমা আক্তার, সৈয়দা নাসিমা আক্তার, ব্যারিষ্টার আরেফিন আশরাফ, জুল আফরোজ মজুমদার, তুহিন মোল্লা, শেখ সাদেক, রবিউল আল, নজরুল ইসলাম মাসুক, আনিসুল হক, সলিসিটর গোলাম আজম, সলিসিটর নুরুল গাফফার, ব্যারিস্টার নোমান আল আব্বাস, মাসুদুজ্জামান মাসুদ, হিমু কবির, মাহাবুবুল আল তোহা, ফয়সাল আহমেদ, আরিফুল ইসলাম, আরিফুর রহমান খান, ফজলে রহমান পিনাক, শরীফ রানা, মাসুক ই এলাহী, মো ফয়েজ উল্লাহ, শেখ রনি, মাকসুদুর রহমান বাবু, শরীফুল ইসলাম, সৈয়দ কবির হোসেন, রায়হান, মো: মাহবুবুর রহমান তোহা, ইকবাল হোসেন, এম ইউসুফ আলী, মোহাম্মদ মনির হোসেন, তরিকুল ইসলাম, মো: জামিল ভূইয়া, শায়খ মাহদী, মো: বেলাল হোসেন প্রমুখ।
ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টস মুভমেন্ট ফর বাংলাদেশ আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ সঞ্চালনা করেন ছাত্রনেতা সাইফুল ইসলাম মিরাজ।















