আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন সৌদি সিংহাসনের উত্তরসূরি মোহাম্মদ বিন সালমান। সৌদি গণমাধ্যম মন্ত্রণালয় রোববার এক টুইট বার্তায় এ তথ্য দিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এসময়ে তারা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে কথা বলেন।
এমন এক সময় এ তথ্য জানানো হয়েছে, তখন তেলট্যাংকার ও পাম্পিং স্টেশনে হামলা নিয়ে আরব নেতাদের একটি জরুরি বৈঠকের ডাক দিয়েছে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ।
এদিকে পারস্য উপসাগরে মার্কিন রণতরীতে খুব সহজেই হামলা চালাতে পারবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র এবং যেকোনো ধরনের হুমকি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারবে বলে জানিয়েছেন এক জ্যেষ্ঠ ইরানি সামরিক কর্মকর্তা।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা যখন টগবগ করছে, ঠিক তখন শুক্রবার আঞ্চলিক সংকটের জন্য ওয়াশিংটনকে দোষারোপ করেছে তেহরান। এতে পশ্চিমা গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের শঙ্কা, যেকোনো সময় প্রকাশ্য সংঘাত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর উপ কমান্ডার জেনারেল সালেহ জোকার বলেন, যদি যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়, তবে বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহে বিপর্যয় নামবে। এছাড়া ইরানের স্বল্প পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পারস্য উপসাগরে মার্কিন রণতরীতে খুবই সহজে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।
ইরানের সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বোচ্চ চাপ আসছে। যার মধ্যে পরমাণু চুক্তি থেকে একতরফা সরে এসে তেহরানের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিতে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করা হচ্ছে। এসব মার্কিন উদ্যোগের অনিবার্য প্রতিক্রিয়া আসাটাই স্বাভাবিক।
বৃহস্পতিবার বিপ্লবী গাডর্সের আরেক কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেন সালামি বলেন, পূর্ণোদ্যমে যুদ্ধের খুব কাছাকাছি চলে গেছে দুই দেশ। ইসলামি বিপ্লবের জন্য চূড়ান্ত মুহূর্ত এখন। কারণ শত্রুরা সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে যুদ্ধে মাঠে জড়ো হয়েছে।















