কনজাভেটিভ ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের বার্ষিক ডিনার সম্পন্ন: বাংলাদেশী এমপি নির্বাচিত করার প্রত্যয়

1024

ওয়ানবাংলানিউজ: কনজাভেটিভ ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের বার্ষিক ডিনার ও এওয়ার্ড বিতরনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে গত ১৭ জুলাই মঙ্গলবার সেন্ট্রাল লন্ডনের হাই স্ট্রিট কেনসিংটনের তারা হোটেলে। এতে বেশ কয়েকজন ব্রিটিশ মন্ত্রী এমপিসহ পার্টির শীর্ষ নেতা অংশনেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত এমপিরা বলেছেন সেদিন আর বেশি দূরে নয় কনজাবেটিভ পার্টি থেকে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত এমপি নির্বাচিত হবেন। তারা ব্রিটেনের উন্নয়নে বাংলাদেশীদের অবদানের কথা কতৃজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। এতে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর থেকে কনজাভেটিভ দলের নেতা ও স্থানীয় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ অংশনেন।
অনুষ্ঠানে আলোচনায় উঠে আসে কনজাভেটিব পার্টি থেকে বাংলাদেশী এমপি নির্বাচনে কথা। এসময় ব্রিটিশ এমপিরা বলেন, নেতৃত্ব দেয়ার মতো ব্রিটিশ বাংলাদেশী বহু ব্যক্তিবর্গ এখানে উপস্থিত রয়েছেন। সেদিন আর বেশি দূরে নয় বাংলাদেশীদের মধ্যে থেকেই কনজাবেটিভ দলীয় ব্রিটিশ এমপি নির্বাচিত হবেন।
সম্প্রতি ব্রেক্সিট ইস্যুতে বেশ কয়েকজন মন্ত্রীর পদত্যাগ করেছেন। এ পর্যায়ে ব্রিটেন কি সত্যিই সত্যিই ইউরোপ থেকে বের হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে প্যানশন মিনিস্টার এমপি গাই অপারম্যান বলেন, ব্রেক্সিটের জন্য সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন। ব্রিটেনের জনগন ভোটের মাধ্যমে এরায় দিয়েছে। অবশ্যই ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে আসবে। তিনি বলেন ব্রেক্সিট পরবর্তীতে বাংলাদেশের সাথে বানিজ্যিক সম্পর্ক আরো গাড় হবে ।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন হাউজ অফ কমন্সের লিডার এপি আন্ড্রে লিডসোম, ফরেন এফেয়ার সিলেক্ট কমিটির চেয়ারম্যান টম টুগেনহার্ডট, পার্টির ভাইস চেয়ার হেলেন গ্যান্ট এমপি, এন ম্যাইন এমপি, পল স্কালি এমপি,রবার্ট কোর্টস এমপি, বব ব্লাকম্যান এমও, আমজাদ বশির এমইপি, চার্লস টানক এমইপি, জিএলএ’র নেতা গ্রান্থ বেকন, কাউন্সিলার টনি ডেভিনিশ, কিথ প্রিন্স প্রমুখ।
এদিকে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রিজিওনের নেতাকর্মীদেরকে বিগত বছরের সাফল্যের কারনে এওয়ার্ড বিতরন করেন দলের মন্ত্রী, এমপি ও সিনিয়র নেতারা। তারা কমিউনিটির উন্নয়নে বাংলাদেশীদের ভ’য়শী প্রশংসা করেন এবং কনজাবেটিভ পার্টিকে সমর্থন দিতে সকলের প্রতি আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে জানানো হয় ব্রিটেনে এ পর্যন্ত ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের ৩০টি শাখার মাধ্যমে দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি। ২০১৭ সালের সাধারণ নির্বাচনে ৬০টি আসনে ২শ’র বেশি ক্যাম্পেইন সেশন করা হয়েছে। তাছাড়া২০১৮ সালের কাউন্সিল নির্বাচনে ৭০জন বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত ব্যক্তিবর্গ কাউন্সিল নির্বাচনে প্রার্থীহন। এছাড়া ২০০৬ সাল থেকে তিন জাতীয় নির্বাচন ৩টি লন্ডন মেয়র নির্বাচনসহ বহু সংখ্যক কাউন্সিল নির্বাচনে ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ ক্যাম্পেইন করে আসছে।
অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা মুকিব আহমদকে লাইফ টাইম অ্যাচিভম্যান্ট এওয়ার্ড দেয়া হয়।
উপস্থিত ছিলেন কনজারভেটিভ ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সাবেক কাউন্সিলার মেহফুজ আহমেদ, ডেপুটি চেয়ার আব্দুস হামিদ, ভাইস চেয়ারম্যান পারভিন হোসেন, অঞ্জনারা হক, সেক্রেটারী নাজ ইসলাম, ট্রেজারার সুজিত সেন, এক্সিকিউটিভ অফিসার দেওয়ান মেহদি, আছকির আলী, হাসান আলী ইমাম, সেলিম চৌধুরী, ইমরান আহমদ চৌধুরী, নাসিমা খাতুন, হনারারি ভাইস প্রেসিডেন্ট মুকিম আহমদ, বজলুর রশিদ এমবিই, রাফাত খান, এনাম হক চৌধুরী, মিসবাহ উদ্দিন, শাহগির বখত ফারুক, সৈয়দ শাহীন হোসেন, আব্দুস সামাদ প্রমুখ।
সেমিনারে কনজারভেটিভ ফেন্ডস অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন অনারারী ভাইস প্রেসিডেন্ট এনামুল হক চৌধুরী, ময়নুর চৌধুরী, নাজ ইসলাম, ফারুক মিয়া, এসএম এস আজাম, আতিক রহমান, আশ জামান ও শেখ ইয়াওর প্রমুখ।