খেলাধুলা ডেস্ক: খেলার দ্বিতীয়ার্ধে কেনের পেনাল্টি গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। যোগ করা সময়ে সমতায় ফেরে কলম্বিয়া। ১২০ মিনিটি খেলা শেষে টাইব্রেকারে গড়ায় ম্যাচ। আর ভাগ্য পরীক্ষায় হেরে যায় কলম্বিয়া, ৪-৩ গোলে জিতে শেষ আটে পৌঁছে যায় ইংলিশরা।
আজ মঙ্গলবার (৩ জুলাই) মস্কোর স্পার্তাক স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথম সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেনি ইংল্যান্ড। কিরান ট্রিপিয়ারের ক্রসে কঠিন কোণ থেকে হেড লক্ষ্যে রাখতে পারেননি হ্যারি কেইন।
আক্রমণে ইংল্যান্ড এগিয়ে থাকলেও প্রথমার্ধে গোল করার তেমন ভালো সুযোগ আসেনি। বরং মাঠে উত্তেজনা ছড়িয়েছে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে রেষারেষি। এমনই এক ঘটনায় জর্ডান হেন্ডারসনকে মাথা দিয়ে হালকা গুতো মেরে হলুদ কার্ড দেখেই পার পেয়ে যান উইলমার বাররিওস।
দ্বিতীয়ার্ধেও চলে দুই দলের খেলোয়াড়দের ধাক্কাধাক্কি আর জড়াজড়ি। কেইনের ওপর পেছন থেকে অযথা চড়াও হয়ে ইংল্যান্ডকে পেনাল্টি উপহার দেন কার্লোস সানচেস, দেখেন হলুদ কার্ড। ৫৭তম মিনিটে ওই স্পটকিক থেকে ঠাণ্ডা মাথায় টুর্নামেন্ট নিজের ষষ্ঠ গোলটি করেন এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতা কেইন।
পরবর্তীতে যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে আসে সমতা ফেরানো গোল। মাতেয়াস উরিবের জোরালো শট দারুণ নৈপুণ্যে কর্নারের বিনিময়ে সেভ করেছিলেন জর্ডান পিকফোর্ড। ওই কর্নার থেকেই লাফিয়ে ওঠা দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডার ইয়েরি মিনার হেডে বল মাটিতে এক ড্রপ থেয়ে জালে পাঠান। গোললাইনে থাকা ট্রিপিয়ার বলে মাথা লাগিয়েও ফেরাতে পারেনি। ম্যাচ যায় অতিরিক্ত সময়ে। বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া মিনার রাশিয়ায় গোল হলো তিনটি, সবকটিই হেডে।
অতিরিক্ত সময়ে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে ম্যাচে উত্তেজনা ফেরে কিন্তু স্কোরলাইন বদলায়নি। বিশ্বকাপে তিনবার টাইব্রেকারে গিয়ে তিনবারই হেরেছিল ইংল্যান্ড। শঙ্কা ছিল তাই সমর্থকদের মনে। তবে এবার পেনাল্টি শুটআউটে আর তালগোল পাকায়নি সাবেক চ্যাম্পিয়নরা।
ফালকাও গোল করার পর ভুল করেননি কেইনও। দ্বিতীয় শট জালে জড়ান কুয়াদ্রাদো, জড়ান র্যাশফোর্ডও। লুইস মুরিয়েল তৃতীয় শটে পিকফোর্ডকে বোকা বানান। কিন্তু হেন্ডারসনের শট বাঁয়ে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন অসপিনা।
কলম্বিয়ার উরিবের জোরালো শট লাগে পোস্টে। ট্রিপিয়ার গোল করে ফেরান সমতা।
কার্লোস বাক্কার শট ঠেকিয়ে দেন পিকফোর্ড। মাথা ঠাণ্ডা রেখে বল জালে পাঠিয়ে ইংল্যান্ডকে শেষ আগে তোলেন এরিক ডায়ার।















