শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি করার সময় দুই জেলায় ১৬ আটক

592

ঢাকা সংবাদদাতা: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় নীলফামারী ও কুড়িগ্রাম এই দুই জেলায় জালিয়াতি করার সময় এক শিক্ষকসহ ১৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার নীলফামারী সদর উপজেলার টুপামারী এলাকার সৈয়দপুর লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক আলমগীর হোসেনকে আটক করা হয়। এই শিক্ষকসহ নীলফামারীতে আটজনকে আটক করা হয়।

অপরদিকে কুড়িগ্রামে আট পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় আটকদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, সিম, মাস্টার কার্ডসহ কানের সূক্ষ্ম ডিভাইস উদ্ধার করা হয়। বাংলাদেশ জার্নালের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর।

নীলফামারী: পরীক্ষায় জালিয়াতি করার সময় ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইসসহ আটজনকে আটক করেছে পুলিশ। সৈয়দপুরের বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়। তাদের সৈয়দপুর থানা পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

আটকরা হলেন- চিরিরবন্দর উপজেলার আরিফা নাজনীন (২৬), কিশোরগঞ্জের রণচন্ডি এলাকার লালভী আক্তার (২৪), একই উপজেলার বালাপাড়া এলাকার পলি রায় (২৬), আকাশকুড়ি এলাকার তাহিরা পারভীন (২৪), মুশা এলাকার উম্মে হাবিবা (২৪), ডিমলা উপজেলার আরাফাত সিদ্দিক (২৯), কিশোরগঞ্জের বাজে ডুমুরিয়া এলাকার মিজান আহমেদ (২৮) ও নীলফামারী সদর উপজেলার টুপামারী এলাকার সৈয়দপুর লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক আলমগীর হোসেন (২৯)।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সৈয়দপুর সার্কেল) অশোক কুমার পাল বলেন, আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কুড়িগ্রাম: পাঁচটি কেন্দ্র থেকে আট পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় আটকদের কাছ থেকে সাতটি মোবাইল ফোন, সিম, মাস্টার কার্ডসহ কানের একটি সূক্ষ্ম ডিভাইস উদ্ধার করা হয়।

আটকরা হলেন- কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার হাবিবা সুলতানা, হাসপাতাল পাড়ার ওয়ারিন্নাহার, নাজিরা মুন্সি পাড়ার মৌসুমী বেগম, নাজিরা কামার পাড়ার রহিম রাসেল, আব্দুল্লাহ আল ফারুক, শিবলী নোমান, রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার এলাকার ফাতেমা বেগম এবং চিলমারীর বহরের ভিটার শাহানাজ খাতুন।

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোছা. সুলতানা পারভীন জানান, প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে অসৎ উপায়ে পরীক্ষা দেয়ার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে।

জেডএইচ/