জাকির হোসেন কয়েছ : ব্রিটিশ মেয়েকে জোরপূর্বক বিয়ে দেয়ার চেস্টার অভিযোগে এক বাংলাদেশী দম্পতিকে অভিযুক্ত করেছে আদালত। বিবিসি সূত্রে জানা যায় ঐ দম্পতি তাদের ১৯ বছর বয়সী মেয়ে বাংলাদেশে বেড়াতে নিয়ে তার চাচাত ভাইয়ের সাথে জোরপূর্বক বিয়ে দেয়ার চেস্টা চালায়।
কোর্ট অভিযুক্ত দম্পতির নাম আইনী কারনে প্রকাশ করেনি। লিডস ক্রাউন কোট উক্ত দম্পতিকে সহিংসতা, হুমকি এবং জোরপূর্বক বিয়ে দেয়ার চেস্টার অভিযোগ আনে। কোর্ট জানায় ২০১৬ সালে স্কুল হলিডের সময় বাংলাদেশ ভ্রমনে নেয়া হয় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের দেখার কথা বলে। তখন তাকে বিয়ে দেয়ার চেস্টা করা হলে সে তার বোনের মাধ্যমে বয় ফ্রেন্ডকে ম্যাসেজের মাধ্যমে অভিহিত করলে ওয়েস্ট ইয়র্কশায়ার পুলিশকে অভিহিত করে। কোর্ট জানায় আগামী ১৮ জুন তাদের সাজার আদেশ দেয়া হবে।
এদিকে কোর্টকে অভিযোগকারী কিশোরী জানায় ২০১৬ সালের ৩ জুন তাকে ৬ সাপ্তাহের হলিডের সময়ে আত্মীয় স্বজনকে দেখানো এবং ঈদ পালনের জন্য বাংলাদেশ ভ্রমনে নেয়া হয়। এর একদিন পরেই তাকে জানানো হয় তার জন্য পাত্র পাওয়া গেছে। ছেলেটি তার জন্য খুবই উপযুক্ত হবে। ছেলেটিকে তার বাবা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্যও সহযোগিতা করেছেন।
মেয়েকে জোরপূর্বক রাজি করানোর চেস্টা করা হলেও সে পিতা মাতার প্রস্তাব প্রত্যাখান করে। এসময় তার চাচাত ভাই পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। পিতা মাতা তখন বলেন, সে ঐ ছেলেকে বিয়ে করলে সে রানীর মত জীবন কাটাবে। কিন্তু তারপরও ঘৃনাভরে সে এই প্রস্তাব প্রত্যাখান করে।
এসময় তার মা তার বাবাকে মেয়ের এই আচরনের জন্য হিট বা আঘাত করতে প্ররোচনা দিতে করছিলেন। এ লেভেলে পড়–য়া ছাত্রী তখন তার মাকে বলে, তাকে যদি জোরজোরি করা হয় তবে সে নিদিষ্ট অথরিটিকে রিপোর্ট করবে। কিন্তু তখন তার বলেন, তোমাকে বিয়ে দিয়ে এখানে এক বছর রাখলে তুমি গর্ভবতী হলে ঐ ছেলেটির ভিসা পেতে সুবিধা হবে।
তখন সে নিরুপায় হয়ে ইংল্যান্ডে থাকা ছোট বোনের সহায়তায় ব্রিটিশ হাইকমিশনে যোগাযোগ করলে বিয়ের আগেই তাকে উদ্ধার করা হয়।
এর আগে গত সাপ্তাহে পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত কিশোরী মেয়েকে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে প্রায় দ্বিগুণ বয়সের এক পাত্রের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ায় যুক্তরাজ্যে সাড়ে চার বছরের কারাদণ্ড হয়েছে এক মাকে। তিনি বার্মিংহামের বাসিন্দা। ২০১৬ সালে তার ১৭ বছর বয়সী মেয়েকে মিথ্যা বলে পাকিস্তানে নিয়ে গিয়ে জোর করে বিয়ে দেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত তিনি।















