ঢাকা সংবাদদাতা: রাজধানীর কাকরাইলে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকালে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় আমির মাওলানা সাদপন্থী ও সাদবিরোধীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
বিশ্ব ইজতেমার সময় দিল্লির মারকাজের মুরব্বি মাওলানা সাদকে ঘিরে তাবলিগ জামাতের সংকট ঘনীভূত হয়। সাদের বক্তব্য নিয়ে দুই পক্ষ বেশ কয়েকবার সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
এরই রেশে গত বৃহস্পতিবার থেকে দুই গ্রুপের মধ্যে আবারো উত্তেজনা তৈরি হয়। শনিবার সকালে ফের কাকরাইল মসজিদের সামনে অবস্থান নেয় সাদবিরোধীরা। এসময় সাদপন্থীদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে তারা। পরে পুলিশ দুই পক্ষকেই কাকরাইল মসজিদ থেকে বের করে দেয়।
অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে বৃহস্পতিবার থেকে কাকরাইল মারকাজে পুলিশ মোতায়েন ছিল। দুপুরের দিকে পুলিশের রমনা বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তাকে সেখানে যেতে দেখা যায়। পুলিশ সেখান থেকে মোবাইল ফোনের জ্যামারের মতো যন্ত্রও উদ্ধার করেছে।
কাকরাইলের মুসল্লিরা জানান, সাদ-বিরোধীরা কয়েক দিন ধরে মারকাজ ও এর পার্শ্ববর্তী মাদ্রাসায় বিভিন্ন মাদ্রাসা থেকে ছাত্রদের জড়ো করতে শুরু করেন। তারা মারকাজসংলগ্ন কমপ্লেক্সের তৃতীয় তলার মোবাইল ফোন ‘জ্যামার’ বসান। এতে মারকাজে মোবাইলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
দেশে তাবলিগ জামাতের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১১ জন শুরা সদস্য আছেন। এর মধ্যে মাওলানা জুবায়ের আহমদের নেতৃত্বে পাঁচজন সাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। অন্যদিকে ওয়াসিফুল ইসলামের নেতৃত্বে রয়েছেন বাকি ছয়জন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার (এডিসি) এইচ এম আজিমুল হক বলেন, মাওলানা সাদ বিরোধী ও সাদপন্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। কাকরাইল মসজিদ থেকে দুই গ্রুপকেই বের করে দেয়া হয়েছে। আমরা তাদেরে উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার অনুরোধ করছি।















