ঢাকা সংবাদদাতা: সেনা মোতায়েনের দাবি নিয়ে বিএনপি ইসিতে গেলেও, কমিশন সচিব জানিয়েছেন আপাতত সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই।
এ সময় ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ জানান, আইনের মধ্যে থেকে বিএনপির যেসব দাবি পূরণ করা সম্ভব তা করবে নির্বাচন কমিশন।
এর আগে মঙ্গলবার সকালে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের সচিবালয়ে সিইসি কেএম নুরুল হুদার সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিএনপি নেতারা। বৈঠকে গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে সেনা মোতায়েন করার দাবি জানায় দলটির নেতারা। সেই সঙ্গে গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুনুর রশিদকে প্রত্যাহারের দাবিও এসেছে দলটির কাছ থেকে।
স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বেলা ১১টার দিকে নির্বাচন ভবনে যান। প্রতিনিধি দলের অপর সদস্যরা হলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান কামাল ইবনে ইউসুফ, দলের যুগ্ম মহাসচিবমাহবুব উদ্দিন খোকন এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।
প্রায় দেড় ঘণ্টার ওই বৈঠক শেষে খন্দকার মোশাররফ সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে দুই সিটি কর্পোরেশন নিয়ে একগুচ্ছ লিখিত প্রস্তাব দিয়েছি। কমিশন বিষয়গুলো বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে।”
জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচনেও বিএনপি সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়ে আসছে। তবে স্থানীয় ভোটে সেনা মোতায়েন নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অবস্থান এর বিপরীতে। প্রধান নির্বাচন কমিশন কে এম নূরুল হুদা নিজেও সম্প্রতি বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তিনি সেনা মোতায়েনের পক্ষে নন।
১৫ই মে ভোটের দিন রেখে দুই সিটির নির্বাচনের যে তফসিল নির্বাচন কমিশন দিয়েছে, সে অনুযায়ী মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কাজ এরইমধ্যে শেষ হয়েছে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঠিক হয়েছে ২৩শে এপ্রিল পর্যন্ত।















