ওয়ানবাংলানিউজ: সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে মোকাবিলায় প্রয়োজন মানবাধিকার আইন পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। মঙ্গলবার সোমবার নির্বাচনী প্রচারণায় দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, যদি কোনও সন্দেহভাজনকে আমাদের হুমকি মনে হয় কিন্তু বিচারের জন্য যথেষ্ট প্রমাণ না থাকে তবে অবশ্যই তিনি আমাদের নজরদারিতে থাকবেন। এক্ষেত্রে মানবাধিকার আইন বাধা হয়ে দাঁড়ালে প্রয়োজনে আইন পরিবর্তনেরও কথা বলেন মে।
এছাড়া সন্ত্রাসবাদে অভিযুক্তদের সাজার মেয়াদ বাড়ানোর পক্ষেও নিজের অবস্থনের কথা ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘হুমকি মোকাবেলায় আমরা চাই, পুলিশ ও গোয়েন্দারা তাদের সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে সক্ষম হোক। আমি নতুন কোনও নীতির ঘোষণা করবোনা। তবে বিদেশি সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের আমরা অবশ্যেই দেশে ফেরত পাঠাবো।’
তিনি বলেন, ‘আমি যদি বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হই তবে শুক্রবারই অনেক পরিবর্তন আসতে শুরু করবে।’
মে’র প্রস্তাবিত নজরদারিতে সন্ত্রাসে সন্দেহভাজনদের ১৬ ঘণ্টা বাড়িতে থাকতে হবে, একে অনেকেই গৃহবন্দির সঙ্গে তুলনা করছেন। কন্ট্রোল অর্ডার অফ টেরোরিজম এন্ড ইনভেস্টিগেশন নিয়ম পাল্টে তিনি এটা করেছেন। আগে এই নিয়মের আওতায় সন্দেহভাজনকে ১০ ঘণ্টা কোথাও অবস্থান করতে হতো। তবে সেটা নিজের বাড়ি না হলেও চলতো। নতুন এই প্রস্তাবে অবশ্য সন্দেহভাজনরা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে তাদের পাসওয়ার্ড কর্তৃপক্ষকে দিতে হবে। এরে আগে ২০১৬ সালে ৬ জনকে এই আইনেরও আওতায় আনা হয়েছিলো।
সাম্প্রতিক দুই হামলায় নিরাপত্তা নিয়ে তোপের মুখে পড়েছন মে। লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় বাজেট কমানোর সমালোচনা করে বলেছেন, আপনি কম খরচে জনগণকে নিরাপত্তা দিতে পারবেন না। পুলিশের যা প্রয়োজন তাদের সেটা সরবরাহ করা উচিত।’
সূত্র: হাফিংটন পোস্ট















