ঢাকা সংবাদদাতা: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতির মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি হয়নি।
মঙ্গলবার এ মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার দুই আসামি আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও ব্যারিস্টার মো. আমিনুল হকের পক্ষে হাইকোর্টে রিট আবেদন বিচারাধীন থাকায় শুনানি পেছানোর আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। এ দিন মামলার আরেক আসামি প্রয়াত এমকে আনোয়ারের মৃত্যু প্রতিবেদনও দাখিল হয়নি।
এজন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২ এর হোসনে আরা বেগম সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেন। তবে এ দিন খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া হাজিরা দেন।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী হান্নান ভূঁইয়া এসব তথ্য জানিয়েছেন।
মামলায় অভিযোগপত্রভূক্ত আসামির সংখ্যা ১৩ জন। কিন্তু জামায়াত নেতা নিজামী ও মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় বর্তমানে আসামির সংখ্যা ১১ জন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম।
দুদকের উপপরিচালক মো. আবুল কাসেম ওই বছরের ৫ অক্টোবর খালেদা জিয়াসহ আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
কনসোর্টিয়াম অব চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনকে (সিএমসি) বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির অনুমোদন দিয়ে রাষ্ট্রের কয়লা উত্তোলনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা সিএমসির সঙ্গে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি করায় সরকারের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতির অভিযোগ করা হয় মামলাটিতে।















