সাইফ হাসান: নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় সাড়ে তিনশর বেশি মানুষ মা\রা গেছেন। হিমবাহ ধসে সৃষ্টি হওয়া এই পাহাড়ি ঢলে প্রায় এক হাজার চারশ মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। এদের মধ্যে তিব্বতগামী অন্তত ৩৩ জন ব্রিটিশ পর্যটক রয়েছেন বলে জানিয়েছে নেপাল কর্তৃপক্ষ। নিখোঁজ পর্যটকদের সন্ধানে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বড় পরিসরে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে।
নেপালের রসুয়া অঞ্চলের তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসে আকস্মিক এই বন্যা সৃষ্টি হয়। এতে এ পর্যন্ত ৩৫৩ জনের প্রাণহানি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। পর্যটন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান কৈলাশ জার্নিজ, ট্রেকার্স সোসাইটি ও আলপাইন ইকো ট্রেকের মাধ্যমে হিন্দু তীর্থস্থান মাউন্ট কৈলাশে যাওয়া বহু পর্যটকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
এই বিপর্যয়ে সহায়তা দিতে যুক্তরাজ্য সরকার ৫০ লাখ পাউন্ড জরুরি তহবিল ও উদ্ধারকারী দল পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে। যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে পরিস্থিতিকে অত্যন্ত হৃদয়বিদারক উল্লেখ করে নিখোঁজ নাগরিকদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ব্রিটিশ রাজপরিবারের পক্ষ থেকেও ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।
নেপাল সেন্টার ফর ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের সভাপতি বিশাল নাথ উপ্রেতি জানান, এই প্লাবন আকাশ থেকে নেমে আসা সুনামির মতো ছিল। পানির তীব্র স্রোতে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার এলাকার বহু গ্রাম পুরোপুরি ভেসে গেছে। ২০১৫ সালের প্রলয়ংকরী ভূমিকম্পের পর এটিকে নেপালের ইতিহাসে অন্যতম বড় বিপর্যয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
#নেপালবন্যা #প্রাকৃতিকদুর্যোগ #তিব্বত #aknews #onebanglanews















