সাইফ হাসান: লন্ডনে এক নারীকে হ*ত্যার খবর পেয়েও সেটিকে গুরুত্ব দেয়নি মেট পুলিশ। তারা হ*ত্যার ওই জরুরি ফোন কলটিকে স্রেফ ভুয়া কল হিসেবে চিহ্নিত করে রেখেছিল। এর কয়েক দিন পরেই ফিওনা হোম নামের ওই নারী নিখোঁজ হন। পুলিশের এমন চরম গাফিলতির অভিযোগে এখন ১০ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।
লন্ডনের উলিচ ক্রাউন কোর্টে কার্ল কুপার নামে এক ব্যক্তির বিচার চলছিল। তিনি নাওমি হান্ট এবং ফিওনা হোমকে হত্যা করেছিলেন। এই দুই নারীই কুপারের সাথে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন এবং দুজনেই তার সহিংসতার শিকার হয়েছিলেন।
২০২৪ সালে নাওমি হান্টকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার দায়ে কুপারের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। অন্যদিকে ফিওনা হোমের দেহ এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ উঠেছে যে পুলিশ যদি ২০২৩ সালের জুনে আসা সেই ফোন কলটি গুরুত্ব দিয়ে দেখত তবে হয়তো পরিস্থিতি ভিন্ন হতো।
পুলিশের স্বাধীন তদন্ত সংস্থা আইওপিসি জানিয়েছে যে ১০ জন মেট পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এখন তদন্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যে কয়েকজন ডিটেকটিভ সার্জেন্ট এবং ডিটেকটিভ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ উঠেছে। তারা ফিওনার করা আগের অভিযোগগুলো নিয়ে অবহেলা করেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নাওমি হান্ট ২০২০ ও ২০২১ সালে বারবার পুলিশকে জানিয়েছিলেন যে কুপার তাকে উত্যক্ত করছেন এবং তিনি জীবনের ঝুঁকিতে আছেন। এছাড়া ২০২৩ সালের এপ্রিলে ফিওনাও কুপারের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেছিলেন। কিন্তু পুলিশ তাকে আটক করার পর কোনো শক্ত প্রমাণ নেই বলে ছেড়ে দেয় এবং তার দুই মাস পরেই ফিওনা নিখোঁজ হন।
#metpolice #justice #londonnews #aknews #onebanglanews















