সাইফ হাসান: লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন নির্দেশে তিন শতাধিক কর্মকর্তা ও কর্মী ফ্রিম্যাসনসের মতো গোপন সংস্থার সাথে তাদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। বাহিনীর স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গত মাসে এই নিয়ম চালু করা হয়। তবে পুলিশের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ফ্রিম্যাসনস সংগঠনগুলো উচ্চ আদালতে আইনি লড়াই শুরু করেছে। বিচারক জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
গত ডিসেম্বরে মেট পুলিশ ঘোষণা দেয় যে, কর্মীদের ফ্রিম্যাসনস বা অনুরূপ গোপন সংস্থার অতীত বা বর্তমান সদস্যপদ ঘোষণা করতে হবে। আদালতের তথ্যমতে, এই নির্দেশ জারির পর তিন শতাধিক পুলিশ সদস্য তাদের এমন সংস্থায় যুক্ত থাকার কথা জানিয়েছেন। হাইকোর্টের বিচারক জাস্টিস চেম্বারলেইন নিশ্চিত করেছেন যে ইতিমধ্যে তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়ে গেছে।
ফ্রিম্যাসনস সংগঠনগুলো এই নিয়মের তীব্র বিরোধিতা করে একে মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে দাবি করেছে। তারা আদালতের কাছে এই নিয়ম স্থগিত করার আবেদন জানিয়েছিল। তবে বিচারক বলেছেন, যেহেতু অনেকেই ইতিমধ্যে তথ্য জমা দিয়েছেন, তাই জরুরি ভিত্তিতে এখনই এই নিয়ম আটকানোর প্রয়োজন নেই।
মেট কমিশনার স্যার মার্ক রোলি বলেছেন, বাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা ফেরাতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এক জরিপে দেখা গেছে, গোপন সংস্থার সদস্যপদ পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে সন্দেহের সৃষ্টি করে। ফ্রিম্যাসনস মূলত একটি প্রাচীন ও গোপনীয় সংগঠন, যার শেকড় মধ্যযুগের পাথরমিস্ত্রিদের সংঘে নিহিত।
#LondonPolice #MetPolice #Freemasons #UKNews #aknews #onebanglanews















