সাইফ হাসান: প্রাক্তন গোয়েন্দা কনস্টেবল ক্লেয়ার ডেভেনপোর্টসহ চারজনকে কভেন্ট্রি ক্রাউন কোর্টে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে জেলে নিষিদ্ধ জিনিসপত্র পাচারের অভিযোগে। ২০২১-২২ সালে উত্তরহ্যাম্পটনশায়ারের এইচএমপি অনলি এবং লেস্টারশায়ারের এইচএমপি গার্ট্রিতে ড্রোনের মাধ্যমে মাদক, তামাক, মোবাইল ফোন পাঠানো হয়েছে। পুলিশের তদন্তে এই দলের ষড়যন্ত্র প্রকাশ পায়। চারজনকেই ১৭ নভেম্বর সাজা দেওয়া হবে।
ডেটেকটিভ ইন্সপেক্টর ক্যারি পাওয়ার্স বলেন, এটি একটি জটিল তদন্ত ছিল যাতে বিভিন্ন সংস্থা যুক্ত ছিল। তিনি বলেন, ড্রোন পাচার বন্ধ করা এবং অপরাধীদের ধরা সন্তোষজনক। পুলিশ জানায়, ড্রোনের প্যাকেটে ক্লাস এ এবং বি মাদক ছিল, যার মধ্যে হিরোইন এবং গাঁজা উল্লেখযোগ্য। এই অপরাধ জেলের নিরাপত্তা এবং সমাজের জন্য হুমকি।
অগাস্ট ২০২১-এ একটি প্যাকেট পুনরুদ্ধার করা হয়, যাতে জেলের মূল্যে ২২,৪০০ পাউন্ডের হিরোইন এবং ১৫,৩০০ পাউন্ডের গাঁজা ছিল। পিটার কিং এবং ক্লেয়ার ডেভেনপোর্ট অগাস্টে অপরাধ স্বীকার করেন। কেন্ট জর্জ এবং মার্ভিন ফস্টার সোমবার শেষ হওয়া বিচারে দোষী সাব্যস্ত হন।
স্টাফর্ডশায়ার পুলিশের গ্রস মিসকন্ডাক্ট শুনানিতে ৩ অগাস্ট ২০২৩-এ সিদ্ধান্ত হয় যে, ডেভেনপোর্ট রিটায়ার না করলে বরখাস্ত হতেন। ৫১ বছর বয়সী ডেভেনপোর্টের এই ঘটনা পুলিশের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলে। ৬৩ বছরের জর্জ এবং ৪৫ বছরের ফস্টারের সঙ্গে এই চারজনের ষড়যন্ত্র জেল ব্যবস্থার দুর্বলতা তুলে ধরেছে।
এই ধরনের পাচার জেলের শৃঙ্খলা নষ্ট করে এবং অপরাধীদের উৎসাহিত করে। পুলিশ এখন আরও কড়া নজরদারি করছে ড্রোনের ব্যবহারে। এই বিচারের ফলাফল অন্যান্য অপরাধীদের জন্য সতর্কবার্তা।















