সাইফ হাসান: দক্ষিণ ও পূর্ব আফ্রিকার আটটি দেশের কূটনীতিকরা যুক্তরাজ্য সরকারের কাছে একটি বেসরকারি বিল সমর্থনের আহ্বান জানিয়েছেন। এই বিল ঋণ পুনর্গঠন প্রক্রিয়া দ্রুত করবে, যা অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
২০২০ সাল থেকে জাম্বিয়া, শ্রীলঙ্কা ও ঘানার মতো দেশগুলো বিদেশি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে। করোনা মহামারী, ইউক্রেন যুদ্ধ ও যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার বৃদ্ধির কারণে ঋণের বোঝা বেড়েছে। গড় উন্নয়নশীল দেশ সরকারি আয়ের ৯.৫% ঋণ পরিশোধে ব্যয় করে, যা এক দশক আগের দ্বিগুণ। দরিদ্র দেশগুলোর জন্য এটি ১৫%।
লেবার এমপি বাম্বোস চারালাম্বোস ২০২৪ সালের নভেম্বরে এই বিল উত্থাপন করেন। এটি বেসরকারি ঋণদাতাদের মামলা ও অতিরিক্ত পরিশোধের দাবি থেকে দেশগুলোকে রক্ষা করবে। জাম্বিয়া, মোজাম্বিক ও দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকমিশনাররা এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন।
মালাউইয়ের হাইকমিশনার থমাস বিসিকা বলেন, “এই অসহনীয় ঋণ দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।”
জাম্বিয়া ২০২০ সালে ঋণ পরিশোধ বন্ধ করে। ২০২১ সালে জি২০-এর কমন ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় ঋণ পুনর্ঠন শুরু হলেও বিলম্ব হয়। চীনের আপত্তি ও পশ্চিমা বন্ডহোল্ডারদের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জাম্বিয়ার চুক্তি ২০২৪ সালে সম্পন্ন হয়।
যুক্তরাজ্যের মুখপাত্র বলেন, “আমরা বেসরকারি ঋণদাতাদের সমান শর্তে অংশগ্রহণের পক্ষে। তবে আইনি পদক্ষেপের পরিবর্তে পর্যালোচনা চলছে।”
এই প্রতিবেদনের সূত্র: The Guardian















