খেলাধুলা ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন লিগের ফাইনালে যতটা না উত্তাপ ছড়িয়েছে ইস্তানবুলে, তার চেয়ে বেশি উত্তাপ এখন ইতিহাদে। ম্যানসিটি প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন লিগ জয়ের স্বাদ পেয়েছে। এছাড়াও ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ক্লাব হিসেবে ‘ট্রেবল’ জয় করেছে পেপ গুয়ার্দিওলার সিটি। শনিবার (১১ জুন) রাতে ইস্তানবুলের আতাতুর্ক স্টেডিয়ামে ইন্টার মিলানকে ১-০ গোলে হারিয়ে ইতিহাস লিখে ফেলল ম্যানচেস্টার সিটি।
ইতিহাদে যখন উৎসব চলছে তখনি রোববার (১১ জুন) উয়েফার টেকনিক্যাল অবজারভার প্যানেল ‘উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ টিম অব দ্য সিজন’ ঘোষণা করেছে। ঘোষিত একাদশে ম্যানসিটির জয়জয়কার। সিটির বাইরে রিয়াল মাদ্রিদ ও ইন্টার মিলানের দুইজন করে খেলোয়াড় একাদশে জায়গা পেয়েছেন।
৪-৩-৩ পজিশনে সাজানো দলটিতে গোলরক্ষকের জায়গাটা পেয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের বেলজিয়ান ফুটবলার থিবো কোর্তোয়া। একাদশে রক্ষণভাগের দুই খেলোয়াড়ই ইন্টার মিলানের; একজন ফেদেরিকো দিমারকো ও আরেকজন আলেহান্দ্রো বাস্তোনি। রিয়াল মাদ্রিদ থেকে আছেন কোর্তোয়া ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। চ্যাম্পিয়নস লিগে মোট ১৩ গোলে অবদান রয়েছে ভিনির। এর মধ্যে ৭ গোল করেছেন এবং ৬ গোলে অবদান রেখেছেন ব্রাজিলিয়ান এ উইঙ্গার। তবে ফাইনালে বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখা সিটি গোলরক্ষক এডারসনের জায়গা হয়নি।
এই চারজনের বাইরে পুরো মাঠজুড়ে ছড়াছড়ি সিটির খেলোয়াড়দের। রক্ষণভাগে ইন্টারের দিমারকো ও বাস্তোনির সঙ্গে আছেন সিটির কাইল ওয়াকার ও রুবেন দিয়াজ। গোলবারের অতন্দ্র প্রহরীর কোটায় জায়গা করে নিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের থিবো কোর্তোয়া।
আর মাঝমাঠে একক আধিপত্য সিটির। জন স্টোনস ও কেভিন ডি ব্রুইনার সঙ্গে আছেন ফাইনালের মূল নায়ক রদ্রি। ফরোয়ার্ডে এ মৌসুমের সর্বোচ্চ ১২ গোল করা আর্লিং হলান্ডের দুইপ্রান্তে আছেন ভিনিসিয়ুস ও বের্নার্দো সিলভা।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেরা একাদশে সিটির জয়জয়কারের মূল কারণ হচ্ছে, তারা এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন। টুর্নামেন্ট জুড়ে একটি ম্যাচেও হারেনি দলটি। ২০০৭-০৮ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে অপরাজিত থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগ ট্রফি জিতেছে পেপ গুয়ার্দিওলার সিটি।
চ্যাম্পিয়নস লিগের মৌসুমসেরা একাদশ
গোলরক্ষক: থিবো কোর্তোয়া (রিয়াল মাদ্রিদ)
ডিফেন্ডার: কাইল ওয়াকার (ম্যান সিটি), রুবেন দিয়াজ (ম্যান সিটি), আলেহান্দ্রো বাস্তোনি (ইন্টার মিলান), ফেদেরিকো দিমারকো (ইন্টার মিলান)
মিডফিল্ডার: জন স্টোনস (ম্যান সিটি), কেভিন ডি ব্রুইনা (ম্যান সিটি), রদ্রি (ম্যান সিটি)
ফরোয়ার্ড: বের্নার্দো সিলভা (ম্যান সিটি), আর্লিং হলান্ড (ম্যান সিটি), ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (রিয়াল মাদ্রিদ)















