খেলাধুলা ডেস্ক: ফুটবলের ভীষণ ভক্ত সাবেক পর্নো তারকা মিয়া খলিফা। এবার বিশ্বকাপেও তিনি পক্ষ নিয়েছিলেন। লেবাননি বংশোদ্ভূত মার্কিনি মিয়া খলিফা। এ জন্য মরক্কোর অবিস্মরণীয় পারফরমেন্স দেখে তাদেরকে সমর্থন দিয়েছিলেন। কিন্তু সেমিফাইনালে তাদের বিদায়ে কাঁদলেন তিনি। শনিবার ইউসেফ আন-নাসিরি’র গোলে যখন পর্তুগালকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় জানিয়ে দেয় মরক্কো, তখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝাঁপিয়ে পড়েন মিয়া খলিফা। ওই ম্যাচের পরে সাবেক এই পর্নো তারকা টুইট করেছেন মরস্কোর একটি ফ্লাগ ইমোজি। সঙ্গে ব্যবহার করেছেন পাঁচটি বিস্ময়বোধক চিহ্ন।
এই বিস্ময়চিহ্ন দিয়ে তিনি মরক্কোর অভূতপূর্ব পারফরমেন্সকে সেলিব্রেট করেছেন। পর্তুগালকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো কোনো আফ্রিকান মুসলিম এবং আরববিশ্বের একটি দেশ হিসেবে মরক্কো সেমিফাইনালে ওঠে। বুধবার দিবাগত রাতে তারা ফ্রান্সের ডিফেন্সে একের পর এক আক্রমণ করেছে।
কিন্তু এদিন তাদের সঙ্গে ভাগ্যযোগ ঘটেনি। ভাল খেলেও ২-০ গোলে বিদায় নিতে হয়েছে মরক্কোকে। এরপর মিয়া খলিফা নতুন টুইট করেছেন। তাতে তিনি বলেছেন- আমি কাঁদছি। কারণ, আক্ষরিক অর্থেই আমার ক্যামেরার ওপর এক টুকরো হলুদ প্লাস্টিক রেখেছিলাম এবং বলেছি- সেটাকে এক সময়ের মেক্সিকো বা মরক্কোর মতো দেখায় কিনা?
ফুটবলের প্রতি ভালবাসা প্রদর্শনে মিয়া খলিফা নতুন কিছু নন।
কয়েক বছরে তিনি খেলাধুলা নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। বিশেষ করে এমন সোচ্চার হয়েছেন পর্নো জগতে বিখ্যাত হয়ে উঠার পর থেকে। ২০১৯ সালে ওয়েস্টহ্যাম ইউনাইটেডের মুখোমুখি হয় আর্সেনাল। তখন আর্সেনাল ফ্যান টিভিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে নেয়া হয় মিয়া খলিফাকে। অনেক ভক্ত মনে করেছিলেন মিয়া খলিফা তাদের দলকে সমর্থন করেন। এর আগে তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের চ্যানেলে নিজে একটি হ্যামারস টি-শার্ট পরে পোজ দিয়েছিলেন। এখানেই শেষ নয়। লিভারপুলের সাবেক গোলকিপার লোরিস কারিয়াসের একজন ভক্ত মিয়া খলিফা। তারও আগে তিনি জার্মান এই গোলকিপারের ওপর ক্রাশ খেয়েছেন। লোরিস কারিয়াসের ওপর এতটাই ক্রাশ খেয়েছিলেন যে, তাকে এক সময় রগরগে উত্তেজনাপূর্ণ বার্তা পর্যন্ত পাঠিয়েছিলেন মিয়া খলিফা।
এসব সত্ত্বেও তিনি ফুটবলের সঙ্গে আছেন। এবার কাতারে বিশ্বকাপ আয়োজনের আগেও তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা থেকে সরে থাকেননি। তিনি টুইটারে বলেন, মুর্খদের কোন ফেডারেশন চিন্তা করেছিল, কাতারকে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে দিলে ঠিক এমন হবে না? এখানে উল্লেখ্য, তিনি কাতারে এলজিবিটিকিউ আইনের দিকে ইঙ্গিত করে এমন প্রশ্ন করেছেন মিয়া।















