সিলেট সংবাদদাতা :: ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে সীমান্ত দিয়ে মাদক আসছে বাংলাদেশে। এসব মাদকের মধ্যে রয়েছে হেরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডল, বুপ্রেনাফিন ইনজেকশন, এস্কাফ সিরাপ প্রভৃতি। ভারত থেকে যেসব সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মাদক পাচার করা হয়, এরকম শতাধিক পয়েন্ট শনাক্ত করেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে সিলেট বিভাগের অন্তত তিনটি উপজেলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলোর সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে আসে মাদক।
জানা গেছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম রাজ্যের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচারের শতাধিক পয়েন্ট রয়েছে। আন্তঃদেশীয় মাদক পাচারে এসব পয়েন্ট ব্যবহার করে মাদকের কারবারিরা।
বাংলাদেশ এসব পয়েন্ট শনাক্ত করেছে। এগুলো ব্যবহার করে কী কী মাদক দেশে পাচার করা হচ্ছে, তার তালিকাও প্রস্তুত করা হয়েছে। এই তালিকা ভারতকে দিয়েছে বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর।
প্রস্তুতকৃত তালিকা অনুসারে, সিলেট বিভাগের সিলেট জেলার জকিগঞ্জ, হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর ও চুনারুঘাট সীমান্ত এলাকা থেকে দেদারসে মাদক ঢুকছে। এসব রুট ব্যবহার করে ভারতের আসামের করিমগঞ্জ, মোহনপুর, হিলারা, বিলগঞ্জ প্রভৃতি এলাকা থেকে মাদক পাচার করা হচ্ছে বাংলাদেশে।
পাচারকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে ইয়াবা, গাঁজা ও হাতে তৈরি মদ।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মাদক পাচারের সাথে উভয় দেশের সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী কতিপয় লোক জড়িত। কখনো নগদ টাকায় মাদক কেনাবেচনা হয়। কখনো কোনো পণ্যের বিনিময়ে আসে মাদক।
বাংলাদেশে আনার পর অতি গোপনে ও সুকৌশলে মাদক ছড়িয়ে দেওয়া হয় সারাদেশে।
সীমান্ত এলাকা দিয়ে মাদক পাচার বন্ধে ভারতের নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোকে কড়া নজরদারির অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ।
এ প্রসঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক আব্দুস সবুর মণ্ডল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘মাদক পাচার প্রতিরোধে ভারত ও বাংলাদেশ একযোগে কাজ করতে ঐক্যমত হয়েছে। আমরা মাদক পাচারের সীমান্ত এলাকার বিষয়ে ভারতকে জানিয়েছি। তারা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছে।’
ওয়ানবাংলানিউজ / ৭ নভেম্বর ২০২১ / আল-আমিন















