ওয়ানবাংলানিউজ: ব্রেক্সিটের পর থেকে ব্রিটেনে ইমিগ্রেন্টদের সংখ্যা উল্লেখ্যযোগ্য হারে কমতে শুরু করেছে। গত তিন বছরের মধ্যে বতমানে ব্রিটেনে ইমিগ্রেন্টদের সংখ্যা সবেচেয়ে কম।
এর প্রধান কারন হিসেবে ব্রেক্সিটের পর ইউরোপের ৮টি দেশের নাগরিকেরা অনিশ্চিত অবস্থার কথা বিবেচনা করে ব্রিটেন ছাড়ছেন। যার ফলে ব্রিটেনের নেট মাইগ্রেশন গত কোয়ার্টারে ২৪৬,০০০ হ্রাস পেয়েছে বলে খোদ জানিয়েছে অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক বা ওএনএস।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, ব্রেক্সিটের অনিশ্চয়তার কারনে ইউরোপিয়রা ব্রিটেন থেকে চলে যাচ্ছেন। যার ফলে এমন নাটকীয়ভাবে নেট মাইগ্রেশন কমে আসছে।
ব্রিটেনে থাকার জন্য এসেছিলেন, এমন ৮১,০০০ ব্রিটেন ছেড়েছেন- ওএনএস এই অবস্থাকে পরিসংখ্যানগতভাবে সিগনিফিক্যান্ট পরিবর্তন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বিগত মার্চ পর্যন্ত ১২ মাসে ইউরোপ থেকে নেট মাইগ্রেশনের টার্গেট ছিলো ১২৭,০০০, সেখানে গত বছর নেমে দাড়িয়েছে ৫১,০০০ এবং বিশ্বের অন্যান্য অংশ থেকে নেমেছে ১৪,০০০ ।
ওএনএস তাদের পরিসংখ্যানে আরো দেখিয়েছে, এই ভাবে মাইগ্রেশন নেমে ইইউ এর নাগরিক ব্রিটেন ছেড়েছেন ৩৩,০০০ ।
শ্যাডো হোম সেক্রেটারি ডায়ান অ্যাবোট এই অবস্থাকে দুঃখজনক বলে সমালোচনা করে বলেছেন, টেরিজা মে ঘোষিত নেট মাইগ্রেশনের টার্গেট বছরে ১০০,০০০ কখনো পূরণ সম্ভব নয়।
লেবার এই বোগাস নেট মাইগ্রেশনের বিপরীতে মাইগ্রেশন ম্যানেজম্যান্ট, প্রবৃদ্ধির বৃদ্ধি, কাজ বা জব এবং সমৃদ্ধির নীতিতে বিশ্বাসী বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
রিজ্যুলুশন ফাউন্ডেশন এইভাবে নেট মাইগ্রেশনের অভাবনীয় হ্রাস ইউকের আন্তর্জাতিক শ্রম মার্কেটে প্রভাব বিস্তার করবে বলে মন্তব্য করেছেন।
সূত্র: বিবিসি , লন্ডন টাইম















