আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে দোকান থেকে জোর করে মালামাল নেয়ার চেষ্টা

217
প্রতারক দলের প্রধান সদস্য

ঢাকা সংবাদদাতা: সরকারি আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে থ্রেট দিয়ে দোকান থেকে জোর করে মালামাল নেয়ার চেষ্টা করেছিল তিন সদস্যের এক প্রতারক দল। পরে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা পুলিশ ও মার্কেট কমিটির হাতে তুলে দেয়ার চেষ্টাকালে প্রতারকরা পালিয়ে যায়। ২০ জুলাই সোমবার বিকেলে রাজধানীর কাপ্তান বাজার কমপ্লেক্সে ঘটনাটি ঘটে।

ভূক্তভোগী দোকানদার জানান, প্রথমেই প্রতারক দলের একজন বিপুল পরিমান মালামাল কেনার কথা বলে দোকানে প্রবেশ করেন। পরে আরো দুইজন সাথে তিনটি কার্টন ও প্যাকেটসহ দোকানে প্রবেশ করে। এ সময় তাদের একজন নিজকে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর বড় অফিসার বলে দাবী করেন। সেই সময় উক্ত ব্যক্তি জানান তার নিজস্ব বাড়ীর জন্য মালামাল দরকার। তারা ওয়ারিং ক্যাবলসহ বিভিন্ন ইলেকট্রিক আইটেমের প্রায় দুই লক্ষাধিক টাকার মালামাল কেনার রাফ মেমো দোকানদারকে দিয়ে তৈরী করান। এরপর তারা ৫ মিনিট পরে ফিরে এসে উক্ত মালামাল কেনার আশ্বাস দিয়ে অন্যত্র থেকে নিয়ে আসা কার্টনগুলো দোকানে রেখে যান।
৫ মিনিটের কথা বললেও তারা দেড় থেকে দুই ঘন্টা পরে ফিরে আসেন। কিন্তু মালামাল না কিনে আবার তারা বেরিয়ে যেতে চাইলে দোকানি তাদের প্রতি সন্দেহ হয়। তিনি একজনকে দোকনে মালামাল পাহরার কথা বলে দোকানে থাকতে বলেন। আবার আধঘন্টা পরে ফিরে এসে প্রথমে দোকানে রাখা তাদের কার্টনগুলো সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করেছিল। এসময় তাদের মালামাল কেনার ২ লক্ষ টাকার রাফ মেমো থেকে মাত্র ৫ হাজার টাকায় নেমে আসে। পরে আরও কমে ৪ হাজার ৫ শত টাকার মালামাল দিতে বলেন। কিন্তু মালামাল বুঝেও টাকা দিতে গড়িমসি করছিল তারা। এসময় তাদের একজন পুনরায় নিজকে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে থ্রেট দিতে থাকেন। অর্ধেকমূল্য দিয়ে বের হতে চাইলে তার কাছে মালের পূর্ণমূল্য দাবী করেন দোকানদার। এসময় প্রতারক দল দোকানদার ও তার ম্যানেজারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। দোকানদার মার্কেট সমিতি ও পুলিশের সাহায্য চাওয়ার জন্য ফোনে চেষ্টাকালে প্রতারকদল মানুষের ভীড়ে সুকৌশলে পালিয়ে যায়।

দোকানদার আরও জানান, তিনি এ ব্যাপারে মার্কেট কমিটিকে জানিয়ে রেখেছেন। তাদের পরামর্শক্রমে তিনি পুলিশের সাহায্য নিবেন।