ওয়ানবাংলানিউজ: সরকার তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করলে এবছর এডাল্ট এন্ড সোশ্যাল কেয়ার খাতে রাজধানী লন্ডনের ৩১,২৭৪ হাজারেরও বেশী বাসিন্দা সরাসরি সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন। করোনা ভাইরাসের কারনে ইংল্যান্ডের লোকাল অথরিটিগুলো ১০ বিলিয়ন পাউন্ড ফান্ডিং ঘাটতির মধ্যে পড়বে। এর মধ্যে ৩.৫ বিলিয়ন পাউন্ড হচ্ছে এডাল্ট এন্ড সোশ্যাল কেয়ার খাতের। সরকার এই খাতের ফান্ডিং ঘাটতি মোকাবেলয়া এগিয়ে না আসলে রাজধানী লন্ডনের ৩১,২৭৪ হাজারেরও বেশী বয়স্ক বাসিন্দা সরাসরি সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন।
২০১৯/২০ সালের বাজেট বরাদ্দ এবং করোনা ভাইরাসের কারনে স্থানীয় অথরিটিগুলোর ব্যয় বৃদ্ধি ও আয় কমে যাওয়ার ভিত্তিতে দ্যা কিংস ফান্ড এবং ডিপার্টমেন্ট ফর হেলথ এন্ড সোশ্যাল কেয়ার পরিসংখানে নিম্নের চিত্র ফুটে উঠেছে: ইংল্যান্ডের স্থানীয় অথরিটিগুলো ১০ বিলিয়ন পাউন্ড বাজেট ঘাটতির মধ্যে পড়বে : ২০২০/২১ সালে ইংল্যান্ডের স্থানীয় অথরিটিগুলোর বাজেট ঘাটতি হবে ২১%। এর মানে হচ্চেছ ৩.৫ বিলিয়ন পাউন্ড ঘাটতি হবে এডাব্ব এন্ড সোশাল কেয়ার খাতে। এছাড়া ২ বিলিয়ন পাউন্ড চিলন্ড্রেন সোশ্যাল কেয়ার এবং ৭শ মিলিয়ন পাউন্ড পাবলিক হেলথে ঘাটতি হবে।
এডাল্ট এন্ড সোশ্যাল কেয়ারে ২শ ২৫ হাজার বাসিন্দার সেবা সংকুচিত হবে অথবা একেবারে চলে য়াবে : ৩.৫ বিলিয়ন বাজেট কাটের মানে হচ্চেছ ৬৫ বছরের উর্ধে মোট ১শ ৭৬ হাজার বাসিন্দার দীর্ঘ মেয়াদী সেবা এবং ২৩ হাজার বাসিন্দার স্বল্প মেয়াদী সেবা চলে যাবে।
রাজধানী লন্ডনে ৩১ হাজার ২শ ৭৪ জন বাসিন্দা সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন। সরকার এগিয়ে না আসলে আরো যে সব সার্ভিস ঝুঁকির মধ্যে পড়বে সে সবের মধ্যে রয়েছে : লাইব্রেরী, চিলন্ড্রেন সার্ভিস, লেইজার সেন্টার, পাবলিক পার্ক, রোড সেইফটি, রোড গ্রিটিং, স্ট্রিট লাইট ইত্যাদি।
গত মাসে নির্বাহী মেয়র জন বিগস প্রধান মন্ত্রী বরিস জনসনের কাছে এক চিঠিতে করোনা ভাইরাসের কারনে ২০২০/২১ সালে টাওয়ার হ্যামলেটসের সম্ভাব্য বাজেট ঘাটতির কথা তুলে ধরেন। এতে মেয়র উল্লেখ করেন, টাওয়ার হ্যামলেটসকে অতিরিক্ত ২৪.৪ মিলিয়ন পাউন্ড করোনা ভাইরাস জনিত চাপ মোকাবেলায় খরচ করতে হবে। এই সময়ে কাউন্সিলের আয় কমবে ৩৪.৬ মিলিয়ন পাউন্ড। ২০১০ সালের পর টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলকে ১৯০ মিলিয়ন পাউন্ড সাশ্রয় করতে হয়েছে। এছাড়া ২০২৩ সালের মধ্যে আরো ৩৯ মিলিয়ন পাউন্ড সাশ্রয় করতে হবে।
মেয়র জন বিগস এ ব্যাপারে তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, টাওয়ার হ্যামলেটসের বাসিন্দাদের জন্য এসব পরিসংখ্যান খুবই উদ্বেগের। সরকার যদি লোকাল অথরিটির এই ১০ বিলিয়ন পাউন্ড বাজেট ঘাটিতি মোকাবেলায় এগিয়ে না আসে তাহলে আমাদের জন্য খারাপ সময় অপেক্ষা করছে।
কেবিনেট মেম্বার ফর এডাল্ট, হেলথ এন্ড ওয়েলবিং কাউন্সিলার আমিনা আলী তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সোশ্যাল কেয়ার হচ্চেছ কাউন্সিলের সবচাইতে বড় ফ্রন্ট লাইন সার্ভিস এবং করোনা ভাইরাস ক্রাইসিসে এই খাত সবচাইতে বেশী ভূমিকা রেখে চলেছে। সরকার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে গেলে এর পরিনতি হবে ভয়াবহ।
পৃথক সংবাদ















