লিড নিয়ে ৪৬৫ রানে থামলো বাংলাদেশে

124

খেলাধুলা ডেস্ক: দশ নম্বর ব্যাটার শরিফুল ইসলাম আহত হয়ে অবসরে যাওয়ার পর শেষ হলো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। ৪৬৫ রানে থামলো টাইগাররা।

চট্টগ্রাম টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৩৯৭ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। ফলে বাংলাদেশের লিড দাঁড়িয়েছে ৬৮ রানের। পিছিয়ে থেকে চতুর্থ দিনের তৃতীয় সেশনে দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ে নেমেছে লঙ্কানরা।

২০১৩ সালে গল টেস্টে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ১৯৬ ওভার ব্যাট করে ৬৩৮ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। টেস্টে সেটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ ও সর্বোচ্চ ওভার খেলার উদাহরণ। তবে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সেই ইনিংস টপকাতে না পরলেও নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে এক ইনিংসে চতুর্থ সর্বোচ্চ ওভার খেলেছে টিম টাইগার।

চট্টগ্রাম টেস্টে আজ চতুর্থ দিনের খেলা চলছে। তবে ড্র হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ৬ উইকেটে ৪৩৬ রান নিয়ে দ্বিতীয় সেশনের খেলা শেষ করে বাংলাদেশ। উইকেটে ছিলেন শতক তুলে নেয়া মুশফিকুর রহিম ও নাঈম হাসান। বিকালের সেশনে খেলা শুরুর পর আগের সেশনে লিটন দাসের মতোই ‘বদঅভ্যাস’এর শিকার হন মুশফিক। দ্বিতীয় সেশনে খেলা শুরুর প্রথম বলেই বাজে শট খেলে আউট হন লিটন। মুশফিক সে তুলনায় একটু দেরি করেছেন।

বিকালের সেশনে খেলা শুরুর তৃতীয় ওভারে গিয়ে লাসিথ এম্বুলদেনিয়াকে সুইপ করার লোভ সামলাতে পারেননি। ২৮২ বলে তার ১০৫ রানের ইনিংসটির সমাপ্তি ঘটে বোল্ড হওয়ার মধ্য দিয়ে। লেগ স্টাম্পের বাইরের বল মুশফিক কেন সুইপ করতে গেলেন সে প্রশ্ন উঠবে।

প্রশ্ন তোলা যায় আরও একটি—মুশফিকের এই ইনিংসে স্ট্রাইকরেট ৩৭.২৩ এবং চার মাত্র চারটি। জহুর আহমেদ চৌধুরীর উইকেট নিশ্চয়ই এই স্ট্রাইকরেটে ব্যাট করার মতো কঠিন ছিল না? একই ইনিংসে ১৩৩ রানে আউট হওয়া তামিম ইকবালের স্ট্রাইকরেট ৬১। লিটন ৮৮ রান করেন ৪৬.৫৬ স্ট্রাইকরেটে।

মুশফিক আরেকটু চড়াও হয়ে খেললে আরও দ্রুত রান তুলতে পারত বাংলাদেশ। তাতে লিড যেমন বাড়ত তেমনি শ্রীলঙ্কাকে দ্রুত অলআউট করে চতুর্থ ইনিংসে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাটিংয়ের সমীকরণ মেলানোর অন্তত কাছাকাছি থাকা যেত। ঢিমেতালে সময় নষ্ট করার ব্যাটিংয়ে সে সম্ভাবনাটুকুর যেমন অপমৃত্যু ঘটেছে তেমনি টেস্টটা ড্র হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ল। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে বিনা উইকেটে ১০ রান তুলেছে শ্রীলঙ্কা।