রানা-রুবেলের আগুনঝরা বোলিংয়ে অল্পতেই অলআউট খুলনা

272

খেলাধুলা ডেস্ক: গোড়াপত্তনেই চাপে পড়েছিল খুলনা টাইগার্স। মাঝপথে হাল ধরেছিলেন মুশফিক-রুশো। বিপর্যয়ও কাটিয়ে উঠেছিলেন তারা। তবে দলীয় স্কোর বড় করার জন্য যে লড়াই করাদরকার ছিল, তা করতে পারেননি।শেষদিকেও কেউ ঝড় তুলতে পারেননি। শেষমেষ ১২১ রানে গুটিয়ে গেল তারা।

বঙ্গবন্ধু বিপিএলে সিলেট পর্বে খুলনা টাইগার্সের মুখোমুখি চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। দলটির নিয়মিত অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে ভুগছেন। ফলে টস করতে নামেন ইমরুল কায়েস।তাতে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নেন তিনি। তার সিদ্ধান্তকে যৌক্তিক প্রমাণ করেন এবারের চমক মেহেদী হাসান রানা।শুরুতেই মেহেদী হাসান মিরাজ ও অভিজ্ঞ হাশিম আমলাকে ফিরিয়ে দেন তিনি।

এরপর শামসুর রহমানকে দ্রুত তুলে নেন কেসরিক উইলিয়ামস। মুহূর্তেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে খুলনা। বিপর্যয়ের মুখেমুশফিকুর রহিমকে নিয়ে দলের হাল ধরেন রাইলি রুশো। ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছিলেন তারা। তাতে রানের চাকাও ভালোমতো ঘুরছিল। কিন্তু হঠাৎ থেমে যান মুশফিক। রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে ব্যক্তিগত ২৯ রানেজিয়াউর রহমানের বলে বোল্ড হন তিনি ।

পরে রবি ফ্রাইলিংককে নিয়ে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন রুশো। ভালোই খেলছিলেন দুই প্রোটিয়া। চট্টগ্রাম বোলারদের শাসাচ্ছিলেন রুশো।ফিফটির পথে এগিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। ঠিক সেই সময়ে পথচ্যুত হন বাঁহাতি ব্যাটার। উইলিয়ামসের বলে ক্লিন বোল্ড হয়ে যান তিনি। ফেরার আগে ৪০ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় ৪৮ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন রুশো।

এরপর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে খুলনা। পরক্ষণেইউইলিয়ামসের বলে বিদায় নেন আমের ইয়ামিন। খানিক পর রুবেল হোসেনের বলেফেরেন আলাউদ্দিন বাবু। রুশোর সঙ্গে জোট ভেঙে গেলে টিকতে পারেননি ফ্রাইলিংকও। রানার শিকার হয়ে ফেরেন তিনি। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পড়ে যাওয়া-আসার মিছিলে যোগ দেন তানভীর ইসলাম। তাকে ফিনিশ করেন রুবেল।

শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে রানআউটে কাটা পড়েন আলিস আল ইসলাম। শেষ পর্যন্ত ১৯.৫ ওভারে ১২১ রানে অলআউট হয় দক্ষিণের দলটি। তাদের এ রানে গুটিয়ে দেয়ার নেপথ্য কারিগর রানা-রুবেল। আগুনঝড়া বোলিং করেন তারা। প্রত্যেকে শিকার করেন ৩টি করে উইকেট