ওয়ানবাংলানিউজ: বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের দাবীতে সভা করেছেন যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ইউনিয়নের বাসিন্দারা। রবিবার পূর্ব লন্ডনের ব্রিকলেইনের একটি রেস্টুরেন্টে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর থেকে প্রবাসীরা অংশনেন এবং দ্রুত নির্বাচন দিতে প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।
নির্বাচনের দাবীকে স্বোচ্চার করতে গঠন করেছেন আহবায়ক কমিঠি। আহবায়ক কমিটির সদস্যরা হচ্ছেন আহবায় প্রবীন মুরব্বি মাহমুদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায় আফছর মিয়া ছুটু, যুগ্ম আহবায়ক লাকি মিয়া, আব্দুল কুদ্দুছ, আজম আলী, ফারুক মিয়া, সদস্য সচিব সোবান আলী বারী, যুগ্ম সদস্য সচিব আখলাকুর রহমান, তানবীর আহম্মদ, আজিম উদ্দিন আজির, আমির আলী, অর্থ সচিব কামাল আহমদ, যুগ্ম অর্থ সচিব, তোফায়েল আহমদ আলম।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হরফ মিয়া, আব্দুল হামিদ, সিদ্দেক আলী, হামদু মিয়া, দুদু মিয়া সিকদার, ফারুক মিয়া, নূরুল ইসলাম, ফিরোজ আলম প্রমুখ।
উল্লেখ্য আইনী জটিলতায় দীর্ঘ ১০ বছর যাবত নির্বাচন হচ্ছে না বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের। ২০০৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী সর্বশেষ এই ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০০৭ সালে এর মেয়াদ শেষ হলেও মামলা জটিলতার কারণে পরিষদের আর কোন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে উক্ত ইউনিয়নের মানুষ নতুন করে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে নানান অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির। অন্যান্য ইউপিগুলোতে যেখানে আরো ২ বার করে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর একারনে দ্রুত নির্বাচনের দাবীতে বিশ্বনাথেরমত যুক্তরাজ্যের সভা করেছেন ইউনিয়নের প্রবাসীরা।
জানাযায়-২০০৩ সালে জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের লহরী গ্রামের একাংশ ও বিশ্বনাথ উপজেলার দশ ঘর ইউনিয়নের মধ্যে সীমানা বিরোধের কারনে স্থানীয় হাজী আব্দুল মালিক নামক ব্যক্তি হাইকোর্টে মামলা করে। এই মামলার পর এখানে আজ পর্যন্ত কোন নির্বাচন হয় নি। এলাকাবাসী বলছেন একটি কুচক্রী মহল কৌশলে মামলার মারপ্যাচে ফেলে এখানে নির্বাচন হতে দিচ্ছে না। ফায়দা লুটতে ও স্ব-পদে বহলা থাকতে এমন করছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ করেন।
অন্য দিকে ২০১৫ সালে মিরপুর ইউনিয়নের শ্রীরামসি গ্রামের বাসিন্দ লন্ডন প্রবাসী মাহবুবুল হক শেরিন মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দাবী জানিয়ে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন মামলা করেন। যার জন্য বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রাই চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছে। এলাকাবাসী জানান-বিনা কারনে একটি কুচক্রী মহল দু ইউপিতে নির্বাচন হতে দিচ্ছে না। আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন জনপ্রতিনিধি চাই। নির্বাচন না হলে গনস্বাক্ষর,বিভিন্ন দপ্তরে স্বারক লিপি প্রদান ও মানববন্ধ কর্মসুচি পালন করব। তারপরও যদি কাজ না হয় কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।















