আহসানুল আম্বিয়া শোভন: যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে বাংলাদেশের তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, বিএনপি‘র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও জাতীয় নির্বাচনে ভোট ডাকাতির অভিযোগে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মীর স্বতস্ফূর্ত উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা অবৈধ হাসিনা সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, যদি নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ৩ মাসের মধ্যে পুনরায় নির্বাচন না দেয়া হয় তাহলে দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে হাসিনা সরকারের বিদায় নিশ্চিত করা হবে।
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অবিলম্বে মুক্তি এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশ নায়ক তারেক রহমানের উপর সকল সড়যন্ত্র মুলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত সভায় বক্তারা বলেন, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে বাধ্য করা হবে। ইনশাআল্লাহ কিছু দিনের মধ্যেই দেশে গণআন্দোলনের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ দাবানলে পরিণত হবে। আর সারাবিশ্ব থেকে শেখ হাসিনাকে ‘নো’ বলা হবে বলে নেতারা মন্তব্য করেন।
গত ১৪ জানুয়ারী, সোমবার রাতে যুক্তরাজ্য বিএনপি অফিসে স্বেচ্ছাসেবক দল এই সভার আয়োজন করে। যুক্তরাজ্য শাখা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নাসির আহমেদ শাহীন এর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক আবুল হোসেন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক এবং প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাধারন সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ।
প্রতিবাদ সভায় যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নাসির আহমেদ শাহীন বলেন, ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের গণমানুষের কথা বলার অধিকার, মত প্রকাশের অধিকার কেড়ে নিয়ে একটি কালো অধ্যায় রচনা করেছিল। আর তার মেয়ে শেখ হাসিনা একবিংশ শতাব্দীতে এসে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর গণতন্ত্র হত্যা করে ফের বাবার মতো একটি কালো অধ্যায়ের সৃষ্টি করেছে। গত ৩০ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা ভোট ডাকাতি করে গণতন্ত্র হত্যা করেছে। ভোট ডাকাতির প্রতিবাদে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য দেশবাসীকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববাসী শেখ হাসিনাকে খুব শিগ্গিরই চুড়ান্ত ‘নো’ বলে দেবেন। বাংলার মুক্তিকামী জনতা আজ শেখ হাসিনাকে হঠাতে বদ্ধপরিকর। তাই কিছু দিনের মধ্যে গণআন্দোলনের সফলতা পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুল হামিদ চৌধুরী, মুজিবুর রহমান মুজিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবেদ রাজা, যুবদলের সভাপতি রহিম উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক আফজাল হোসেন, জাসাস সভাপতি এমাদুর রহমান এমাদ, নর্থ লন্ডন বিএনপির এম এ শহিদ, কার্ডিফ বিএনপির সেক্রেটারী রফিক আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ সভাপতি শরিফুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান ফেরদৌস, ডালিয়া লাকুরিয়া, জিয়াউর রহমান, যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুল হক রাজ, যুবদল নেতা মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, তাজুল আলম কুরেশী রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম শিমু, জায়েদ আহমেদ তালুকদার, কামাল মিয়া, শেখ সাদেক, সৈয়দ মো: বদরুল হোসেন, হারুন অর রশিদ, এসেক্স বিএনপির সেক্রেটারী মো: সামসুল ইসলাম, আজহার আহমদ ওয়াসিম, আজিবুর রহমান, আনিছুর রহমান, আসাদুজ্জামান, আব্দুল আলীম, হিরো বক্স, লিমন আহমদ, কাজী ফয়ছল আহমদ, জাফরুল আহমদ, মো: আশিকুল ইসলাম, আব্দুল ওয়ালি শামিম, পিনাক রহমান, আব্দুর রউফ, আব্দুল কাদির জিলানী, মো: ফয়েজ উল্যাহ, জসিম উদ্দিন, সঞ্জয় কুমার সাহা, সেলিম উদ্দিন, মো: আবুল হোসেন নিজাম, মিজানুর মিয়া, মানিক মিয়া, আব্দুল আলী, সায়েদ আহমেদ, মো: মুজাহিদ খালিদ, তানবির চৌধুরী, রাশেদ আহমেদ, জাকির হোসেন, ওয়াসেফ আলী, মো: সাদিকুল ইসলাম, সালিক মিয়া, আমিন উদ্দিন, সাব্বির হোসেন, হোমাউন আহমেদ, জাফরুল হাসান, আসাদুজ্জামান চৌধুরী, আনিস মাহমুদ টিটু, মোহাম্মদ পারভেজ জুয়েল, রফিকুল ইসলাম, রনক মিয়া, দেলোয়ার হোসেন, কবির আহমদ সহ অনেকে।















