টেকনাফে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা

776

ঢাকা সংবাদদাতা: টেকনাফে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত শিশুটির নাম সাদিয়া সুলতানা উম্মি। সে বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালী গ্রামের দিনমজুর শফিউল্লাহর মেয়ে।

পাশবিক হত্যাকাণ্ডের শিকার উম্মি স্থানীয় নুরানী মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী। রোববার দুপুরে তার বাবা বাড়ির পাশের পাহাড়ি এলাকায় গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত মেয়ের লাশ উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ কাঞ্চন কান্তি দাশ রোববার বিকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠান।

নিহত শিশুটির চাচা রফিক উল্লাহ জানান, শনিবার সকাল ৯টার পর থেকে তার ভাতিজী নিখোঁজ ছিল। সকালে তার বড় ভাই মেয়েকে একই গ্রামের ইউসুফ বাড়িতে পাঠিয়েছিলেন দিনমজুরির বকেয়া পাঁচশ’ টাকা দেয়ার জন্য। ইউসুফ শফিউল্লাহর বাড়িতে দিনমজুরির কাজ করছিল।

কিন্তু অনেকক্ষণ পরেও মেয়ে ফিরে না এলে ইউসুফের বাড়িতে খোঁজ নিয়ে জানা যায় মেয়ে সেখানে যায়নি। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও শনিবার শিশুটিকে পাওয়া যায়নি। পরে রোববার সকাল থেকে আবারও খোঁজাখুঁজি শুরু করে পরিবারের লোকজন।

একপর্যায়ে দুপুর ১২টার দিকে পাহাড়ের ভেতর গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মেয়ের মরদেহ দেখতে পান তার বাবা। উম্মির চাচা রফিক আরও জানান, মেয়েকে ধর্ষণের আলামত পেয়েছেন তারা। তবে এ ঘটনায় কারা জড়িত থাকতে পারে সে ব্যাপারে কিছু বলতে পারেননি তিনি।

বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কাঞ্চন কান্তি দাস জানান, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইউসুফ নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশ ফাঁড়িতে আনা হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার সোনা আলী জানান, নিহত শিশুর পিতা শফিউল্লাহ দিনমজুরির কাজ করে আর পাহাড়ি এলাকার কাছাকাছি তার বাড়ি।

শিশুটিকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। টেকনাফ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া শিশুর লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও ধর্ষণের বিষয়টি ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান।