জো রুট ও ডেভিড মালানের ব্যাটে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল ইংল্যান্ড। তবে সিডনি টেস্টের প্রথম দিনের শেষটা হয়েছে তাদের হতাশায়। দিন শেষ করেছে সফরকারীরা ৫ উইকেটে ২৩৩ রানে।
৯৫ রানে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে হারানোর পর রুট (৮৩) ও মালানের (৫৫*) হাফসেঞ্চুরিতে উল্টো অস্ট্রেলিয়াকে চেপে ধরেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু শেষ বিকেলে মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজেলউডের তোপে দ্রুত ২ উইকেট হারিয়ে ফেলায় প্রথম দিনটা শেষ হয়েছে তাদের হতাশায়।
শেষের মতো শুরুটাও হয়েছিল হতাশায়। ওপেনার মার্ক স্টোনম্যান ওয়ানডে মেজাজে ব্যাটিং করে ২৪ বলে ২৪ রান করে আউট হয়ে যান। আরেক ওপেনার অ্যালিস্টার কুক অবশ্য জেমস ভিন্সকে সঙ্গে করে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন বেশ ভালোভাবেই। তবে তাদের প্রতিরোধ ভাঙেন প্যাট কামিন্স। স্টোনম্যানকে ফেরানো এই পেসার দ্বিতীয় শিকার তুলে নেন ভিন্সকে আউট করে। টিম পেইনের গ্ল্যাভসবন্দী হওয়ার আগে ইংলিশ ব্যাটসম্যান করেন ২৫ রান।
ওই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে না উঠতে আবার আঘাত। এবার আগের ম্যাচের ডাবল সেঞ্চুরিয়ান কুক ফিরে যান, ভালো শুরু করেও ৩৯ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন সাবেক এই অধিনায়ক হ্যাজেলউডের বলে।
দ্রুত উইকেট হারিরে চাপে পড়া ইংল্যান্ডকে টেনে তোলেন অধিনায়ক রুট ও মালান। অসাধারণ ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের পরীক্ষা নিয়ে দুজনই তুলে নেন হাফসেঞ্চুরি। চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১৩৩ রান যোগ করে সিডনি টেস্টের নিয়ন্ত্রণ নেন তারা। কিন্তু দিনের শেষটা রাঙিয়ে নিতে পারেননি রুট। হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে সেঞ্চুরির পথে হাঁটা ইংলিশ অধিনায়ক ৮৩ রান করে আউট হয়ে যান মিচেল স্টার্কের বলে।
শেষ বিকালে ইংল্যান্ডের হতাশা আরও বাড়ে জনি বেয়ারস্টোও প্যাভিলিয়নের পথ ধরলে। মাত্র ৫ রান করে এই উইকেটরক্ষক আউট হয়ে যান হ্যাজেলউডের দ্বিতীয় শিকার হয়ে। তার আউটের পরপরই দিনের খেলা শেষের ‘ঘোষণা’ দেন আম্পায়াররা। দ্বিতীয় দিন শুরু করবেন মালান ৫৫ রান নিয়ে। ক্রিকইনফো
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
(প্রথম দিন শেষে)
ইংল্যান্ড: প্রথম ইনিংস ৮১.৪ ওভারে ২৩৩/৫ (রুট ৮৩, মালান ৫৫, কুক ৩৯, ভিন্স ২৫, স্টোনম্যান ২৪; কামিন্স ২/৪৪, হ্যালেজউড ২/৪৭)।















