সাইফ হাসান: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে চূড়ান্তভাবে শপথ নিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত প্রার্থীরা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে তারা সংসদ সদস্য পদের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ গ্রহণ করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন তাদের এই পৃথক দুটি শপথ বাক্য পাঠ করান। সকালে নানা অনিশ্চয়তা ও গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত জামায়াত প্রার্থীরা সব কটি ধাপেই শপথ সম্পন্ন করেছেন।
আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ২৩ মিনিটে জামায়াতের নবনির্বাচিত প্রার্থীরা জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। এর ঠিক চার মিনিট পরেই দুপুর ১২টা ২৭ মিনিটে তারা পুনরায় সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন পৃথকভাবে এই দুটি শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
সকালে শপথ গ্রহণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কিছুটা ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল যখন জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের একটি বিশেষ বক্তব্য দেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেছিলেন যে বিএনপি যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেয় তবে জামায়াতও কোনো শপথ নেবে না। তাদের মতে প্রয়োজনীয় সংস্কারবিহীন সংসদ অর্থহীন হয়ে পড়বে বলেই তারা এমন কঠিন অবস্থান নিয়েছিলেন।
তবে শেষ পর্যন্ত জামায়াতের সকল সংসদ সদস্য নির্ধারিত সময়ে শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং উভয় পদেই শপথ গ্রহণ সম্পন্ন করেন। অন্যদিকে আজ সকালে বিএনপি প্রার্থীরা শুধুমাত্র সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য পদের শপথ নেওয়া থেকে বিরত ছিলেন। বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছিলেন যে তারা শুধুমাত্র সংসদ সদস্য হিসেবেই জনগণের রায় পেয়েছেন।
জামায়াতের এই শপথ গ্রহণের মাধ্যমে সংসদের পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করার পথ আরও সহজ ও স্পষ্ট হয়ে গেল। এই শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবন এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছিল। নির্বাচিত প্রার্থীরা শপথ গ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে স্বাক্ষর করে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেন এবং সংসদীয় কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নেন।
#জামায়াত #সংসদ #শপথগ্রহণ #aknews #onebanglanews















