সাইফ হাসান: যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের এখন থেকে তাদের মূল্যবান গহনা বা সম্পদ হারাতে হতে পারে। স্বরাষ্ট্র দপ্তরের একজন মন্ত্রী বলেছেন, আশ্রয় প্রক্রিয়াকরণের খরচ মেটাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। ডেনমার্কের মডেলে এই বিতর্কিত নীতি চালু করতে যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ। তবে বলা হয়েছে, বিয়ের আংটির মতো স্মৃতিচিহ্নমূলক গহনা নেওয়া হবে না।
স্বরাষ্ট্র দপ্তরের মন্ত্রী অ্যালেক্স নরিস সোমবার এই পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি স্কাই নিউজকে বলেন, ব্রিটিশ জনগণ আশ্রয়প্রার্থীদের থাকার জন্য বছরে বিলিয়ন পাউন্ড খরচ করে। তাই যাদের ব্যাংকে টাকা, গাড়ি বা ই-বাইকের মতো সম্পদ আছে, তাদের সেই খরচ বহন করা উচিত।
মন্ত্রী নরিস স্পষ্ট করেন যে, সীমান্তেররক্ষীরা কারো বিয়ের আংটি বা পারিবারিক মূল্যবান স্মৃতিচিহ্ন কেড়ে নেবে না। তবে তিনি যোগ করেন, “যদি কেউ এক ব্যাগ ভর্তি সোনার আংটি নিয়ে আসে, তবে বিষয়টি ভিন্ন।” স্বরাষ্ট্র দপ্তরের একটি সূত্রও পরে বলেছে, সাধারণ গহনা নয়, বরং উচ্চ মূল্যের সামগ্রী থাকলে খরচ নেওয়া হবে।
এই নতুন নীতির পাশাপাশি আরও কঠোর পদক্ষেপ আসছে। যেসব দেশ তাদের প্রত্যাখ্যাত আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরত নিতে অস্বীকার করবে, তাদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞার মতো কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হবে। অ্যাঙ্গোলা, নামিবিয়া ও কঙ্গো এই তালিকায় থাকতে পারে বলে জানা গেছে।
এই নীতির ফলে লেবার পার্টির মধ্যেই অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। লেবার এমপি টনি ভন বলেছেন, এই নীতির ফলে শরণার্থীরা কখনো ব্রিটিশ সমাজে ঠিকমতো মিশতে পারবে না এবং তারা “চিরস্থায়ী অনিশ্চয়তার” মধ্যে পড়ে যাবে। লিবারেল ডেমোক্র্যাটরাও এই নীতির তীব্র সমালোচনা করেছে।
#ইউকে #আশ্রয়প্রার্থী #বিতর্ক #হোমঅফিস #লেবারপার্টি















