সাইফ হাসান:দুই বছর ধরে গৃহযুদ্ধে ধ্বংসের মুখে আফ্রিকার দেশ সুদান। এরই মধ্যে লন্ডনে অনুষ্ঠিত হলো একদিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন—উদ্দেশ্য, কেবল একটা ‘পথনকশা’ আঁকা; সমাধান নয়।মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) এই সম্মেলনের আয়োজন করে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আফ্রিকান ইউনিয়ন। এতে অংশ নেন আরও ১৪টি দেশের মন্ত্রীরা এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি।যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি বলেন, “আমরা একটিठ্পষ্ট বার্তা দিতে চাই—মানবজীবনের প্রতি অবহেলা বন্ধ হোক, একটি সহনশীল পথনকশা তৈরি হোক।”
তবে চমকপ্রদভাবে, সুদানের কোন সামরিক নেতা বা সাধারণ নাগরিক প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি এই সম্মেলনে।
২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে চলমান এই যুদ্ধ মূলত সেনাপ্রধান জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান এবং আধাসামরিক বাহিনী ‘র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস’ (RSF)-এর নেতা হেমেদতির মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব থেকে শুরু।সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর উদ্দেশ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার আহ্বান জানানো হয়, যেন তারা সংঘর্ষে মদত না দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ায় ভূমিকা রাখে। মিশর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিদের মধ্যে কৌশলগত ভাষা নিয়ে গোপন আলোচনা হয়।
তবে সুদান সরকারের কড়া সমালোচনা—তাদের বাদ দিয়ে আরব আমিরাতকে আমন্ত্রণ কেন?
আরব আমিরাতের রাজনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রী লানা নুসেইবেহ বলেন, “উভয় পক্ষই নিরীহ মানুষের ওপর বর্বরতা চালাচ্ছে। আমরা যুদ্ধবিরতি চাই, এবং মানবিক সহায়তা যেন বাধাহীন পৌঁছায়।”প্রসঙ্গত, এই যুদ্ধে ইতিমধ্যে নিহত হয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ, বাস্তুচ্যুত ১ কোটি ৩০ লাখ এবং দুর্ভিক্ষে পড়েছে দেশের অনেক এলাকা।নুসেইবেহ জানান, তাদের সংস্থার সহায়তা বন্ধठওয়ায় প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার মানুষের জীবনরেখা কেটে গেছে।
এই প্রতিবেদনের সূত্র: The Guardian















