ওয়ানবাংলানিউজ: ব্রিটেনে কেয়ার কর্মীর সংকট কাটছেই না। কেয়ার কর্মীর শূন্য পদ যেমন বাড়ছে, তেমনি এই কাজে ন্যায্য মজুরির দাবিতে আন্দোলনও অব্যাহত আছে। ইউনিয়ন সদস্যরা বলছেন, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা গেলে কেয়ার কর্মীরা এই কাজ ছেড়ে যাবেনা।
শহর এলাকায় কেয়ার কর্মীদের দায়িত্ব পালন এবং গ্রাম্য এলাকায় দায়িত্ব পালনের মধ্যে পার্থক্য আছে। সাফোকের মতো গ্রাম্য এলাকায় বাড়ি-বাড়ি গিয়ে কেয়ারার এর দায়িত্ব পালন করতে হলে গাড়ি চালিয়ে যাতায়াত করতে হয় এবং এতে খরচও বেশী হয়। ‘ক্রিস্টিজ কেয়ার’ নামের একটি কেয়ার কোম্পানির আওতায় অব্রা এবং আশেপাশের এলাকায় কাজ করেন ডেরেন ফারগুসন। একটি কাজ থেকে অন্যটিতে যাওয়ার দূরত্ব অনেক।
এটি ‘ক্রিস্টিজ কেয়ার’ এর কার্যালয়। তাঁরা কেয়ার হোমে বসবাসরত এবং নিজ নিজ বাড়িতে বসবাসরত মানুষের কেয়ার কাজের জন্য টেলিফোন পান। কিন্তু গ্রাম্য এলাকায় কেয়ার সেবা দেয়ার জন্য প্রয়োজন হয় যাতায়াত সহ নানা ধরনের সুবিধা।
ক্রিসমাসের আগে ‘ক্রিস্টিজ কেয়ার’ এ নতুন দশ জন কর্মী প্রয়োজন। এই ১০ কর্মী না পাওয়া পর্যন্ত নতুন কোনো ক্লায়েন্টকে তাঁরা সেবা দিতে পারবনেন না। কেবল ইংল্যান্ডের পূর্বাঞ্চলে এই মুহূর্তে সাড়ে ১৯ হাজার কেয়ারার কর্মীর পদ খালি। এর মধ্যে প্রায় আড়াই হাজার কেবল সাফোক এলাকায়। গত এক বছরে এই শূন্য পদের সংখ্যা বেড়ে গেছে ৫০ শতাংশ। সাফোক কাউনটি কাউন্সিল বলেছে, তাঁরা এই খাতে বাড়তি অর্থ বরাদ্দ করেছে।
ক্রিসমাসের ঠিক আগে মজুরি বৃদ্ধির এই আন্দোলন কাজে আসবে, এই আশায় মিছিল-সমাবেশ করছে কেয়ার কর্মীদের ইউনিয়ন। কিন্তু মজুরি বৃদ্ধির এই অর্থ জোগাড় করতে কাউন্সিলকে হয়তো কাউন্সিল ট্যাক্স বাড়িয়ে সেই অর্থের সংস্থান করতে হবে।















