দেশের মানুষ আগ্নেয়গিরির মতো ফুঁসে উঠছে: ফখরুল

195

ঢাকা সংবাদদাতা: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার গত ১৪ বছরে প্রতিটি সেক্টরে সংকট সৃষ্টি করেছে। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ধ্বংস করছে। বেগম খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি করেছে। ৩৫ লাখ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। গত কয়েকদিনে নতুন করে ৫শ’ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। এদেশের জনগণ আগ্নেয়গিরির মত ফুঁসে উঠেছে। সরকার কাপুরুষের মতো মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দিয়ে বিএনপিকে রুখতে পারবে না। এবার আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই সরকারের পতন হবে।

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির পক্ষ থেকে এ সভার আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ছিলেন মওলানা ভাসানী। তিনি বলেন, রাজনীতিতে এখন নষ্ট সময় চলছে।

দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা চেষ্টা করছে বিএনপি। নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে বিএনপি কারো সাথে আপস করবে না। বাংলাদেশের এ দুরবস্থায় মওলানা ভাসানীকে স্মরণ করলে কিছুটা হলেও পরিত্রাণ মিলবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের ত্যাগ স্বীকার করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। জাতির অস্তিত্ব রক্ষা করতে হবে। আবার নতুন করে দেশের অস্তিত্বকে তৈরি করতে হবে। যে যত কথাই বলুক এবার বিজয় অর্জন করতে হবে এর কোন বিকল্প নেই।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, কঠিন লড়াই জয়ী হতে হলে মওলানা ভাসানীকে প্রতি মুহূর্তে স্মরণ করতে হবে। তা হলে সফল হওয়া যাবে।

সভাপতির বক্তব্যে শক্তি সঞ্চয় করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পত্যয় ব্যক্ত করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান। ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ১০ ডিসেম্বর নিয়ে আপনারা আওয়ামী লীগের নেতারা ভয়ে আছেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শুনেছি কেউ কেউ নাকি ব্যাগ গোছাচ্ছেন। ১০ তারিখ নিয়ে পুলিশ প্রশাসন এমপি মন্ত্রী অস্থির হয়ে আছে। এত ভয় কিসের? মওলানা ভাসানী দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। তিনি যদি বেঁচে থাকতেন, ১৪ ও ১৮ সালে যে নির্বাচন করেছেন তাহলে তিনি বলতেন- হারামজাদারা এটা কি করেছে।

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান বরকতুল্লা বুলু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহবায়ক আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ।