ওয়ানবাংলানিউজ: ব্রিটেনের হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রির ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্ম ‘হসপিটালিটি ইউকে’ বলছে, হোটেল, রেস্টুরেন্টগুলোতে স্টাফ সংকট গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে। স্টাফ সংকটের কারণে মহামারী-উত্তর সময়ে এই ইন্ডাস্ট্রির ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা কঠিন হয়ে উঠতে পারে। হোটেল-রেস্টুরেন্টের কিচিন স্টাফ তৈরিতে কিছু প্রতিষ্ঠান সমাধানের উপায় বের করছে। এজন্য পিছিয়ে পড়া নতুন প্রজন্মকে এই পেশায় যুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মায়া হলো নতুন প্রজন্মের হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রি কর্মী। ১৭ বছর বয়সে সে পার্ট-টাইমার হিসেবে কাজে যোগ দিয়ে এখন সে ফ্রন্ট ডেস্কে বুকিং নেয়ার কাজ করছে।
মায়ার বস পিটার নিজেও এভাবেই সফল হয়েছেন। এক সময় তিনি পট ওয়াসার ছিলেন। এখন তিনি লন্ডনের অন্যতম দামী রেস্টুরেন্টের জেনারেল ম্যানেজার। পিটার এখন ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সের পিছিয়ে পড়া তরুণদের দক্ষতা অর্জনের সুযোগ করে দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, এ ধরনের নতুন প্রজন্মকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে ভবিষ্যতে স্টাফ সংকট মোকাবেলায় কাজে আসবে।
জ্যাক এবং ড্যানিয়েল তিন মাসের প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছে। এর পর তারা হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রিতেই কাজে যোগ দেবার আশা করছে।
ইস্ট লন্ডনের বাসিন্দা জয়নাব এংজাইটি সমস্যার কারণে মহামারীর সময়ে একেবারেই ঘরবন্দী ছিল। এখানে এসে নতুন দক্ষতা শেখার মাধ্যমে তাঁর জীবনের মোড় ঘুরে গেছে।
হিলটন পার্ক হোটেলের মতো হোটেলগুলো আশা করছে, ব্রেক্সিট এবং করোনা মহামারীর পর এ ধরনের ট্রেনিং স্কিম নতুন নতুন প্রতিভা সৃষ্টিতে কাজে আসবে।
ব্রেক্সিট এবং মহামারীর কারণে হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রি বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে, সন্দেহ নেই। তবে আগামী দিনে এই ইন্ডাস্ট্রির জন্য সোনালি সময় অপেক্ষা করছে।
















