ওয়ানবাংলানিউজ: ফ্রান্সিস বেইডেন নামের তরুণ ছিলেন একজন হেলথ কেয়ার এসিসট্যানট। তাঁর দায়িত্ব ছিল রোগীদের বাসায় গিয়ে তাদের দেখাশোনা করা। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি এই কাজ ছেড়ে দেন। বারমিংহামের সলিহল এলাকায় তিনি এখন একটি মেরিনারের বোট রক্ষণাবেক্ষণ করেন। খোলা আকাশের নীচে সতেজ বায়ু সেবন করে নতুন এই কাজ তিনি বেশ উপভোগ করেন; পাশাপাশি কেয়ারারের চাকুরী ছেড়ে আসার সিদ্ধান্তের ভালো-মন্দের দিক নিয়ে ভাবেন। তিনি মনে করেন কেয়ার সেক্টরের চাকুরীতে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য অর্জনের সম্ভাবনা কম। সাধারণ মানুষের কাছে এই পেশার প্রতি সম্মান কম।
গত বছরের শেষ ছয় মাসে ৪০ হাজারের বেশী কেয়ারার চাকুরী ছেড়ে চলে গেছে। কেয়ার কোম্পানিগুল তাই গুরুতর কর্মী সঙ্কটে ভুগছে। হাউজিং-টোয়েনটি-ওয়ান নামে একটি প্রতিষ্ঠান সারা দেশে ২০ হাজারের বেশী কেয়ার হোম প্রপার্টি ব্যবস্থাপনায় নিযুক্ত। ব্রাউন হিলসের এই এক্সট্রা-কেয়ার ফ্যাসিলিটিও তাদের ব্যবস্থাপনায় চলে। প্রতিষ্ঠানটি নতুন একটি প্রশিক্ষণ একাডেমী চালু করেছে। প্রশিক্ষণের লক্ষ্য হলো, কেয়ারারদের ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে নিয়ে যাওয়া। ফলে তাদের অভিজ্ঞতা বাড়বে, বার্ষিক বেতনও বেড়ে প্রায় ৫০ হাজার পাউন্ড হবে।
কেয়ারারদের কাজে অনেক বেশী চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছে মহামারি। লম্বা সময় কাজে থেকে পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের সাথে তাল মিলিয়ে চলা তাদের জন্য অনেক কঠিন হয়ে যায়।
প্রশিক্ষণ একাডেমীতে প্রশিক্ষিত কেয়ারারদের জন্য থাকবে পেনশন সুবিধা ও রয়েলটি বোনাস। আর পাশাপাশি যারা শিক্ষার্থী হিসেবে আসবে তাদেরকে হাতে-কলমে শেখানো হবে কেয়ারারের কাজ।
সরকার বলছে, এডালট সোশাল কেয়ার খাতের সংস্কার করা তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিক কাজ। আগামী পাঁচ বছরে এই খাতে পাঁচ বিলিয়ন পাউন্ডের বেশী ব্যয় করবে সরকার। সংস্কারের মধ্যে থাকবে চারজিং সিস্টেমের সংস্কারও, যাতে কেয়ারের ন্যায্য খরচ নিশ্চিত হয়।
এদিকে হেলথ কেয়ার এসিসট্যানট এর চাকুরী ছেড়ে যাওয়া ফ্রান্সিস বেইডেন সলিহলে তাঁর হাতেকলমে কাজের অভিজ্ঞতাকে পাকা করে নিচ্ছেন। তিনি মেকানিক্যাল এঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে অধ্যয়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে কেয়ার ওয়ার্কার হিসেবে মানুষের সাথে কাজ করার যে দক্ষতা অর্জন করেছেন, তিনি মনে করেন এই দক্ষতা তাঁর জীবনের জন্য অমূল্য সম্পদ।















