দ্রুত ছড়াচ্ছে ওমিক্রন, ছুটির পরিকল্পনা বাতিলের আহ্বান ডব্লিউএইচও’র

149
World Health Organization (WHO) Director-General Tedros Adhanom Ghebreyesus attends a daily press briefing on COVID-19 virus at the WHO headquaters on March 9, 2020 in Geneva. - WHO Director-General Tedros Adhanom Ghebreyesus announced on March 11, 2020 that the new coronavirus outbreak can now be characterised as a pandemic. (Photo by Fabrice COFFRINI / AFP)

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন খুব দ্রুত ছড়াচ্ছে জানিয়ে ভাইরাসটির বিস্তার রোধ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সবাইকে বড়দিনের ছুটিসহ কিছু ছুটির পরিকল্পনা বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

ডব্লিউএইচও’র প্রধান টেডরস আধহানম ঘেব্রেয়াসাস বলেছেন, জীবন শেষ হয়ে যাওয়ার চেয়ে একটি আয়োজন বাতিল করা অনেক ভালো। এ ব্যাপারে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। এর অর্থ ইভেন্টগুলো বাতিল করা বা বিলম্বিত করা। খবর বিসিসির।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনার নতুন ধরণটি। এরই মধ্যে যারা টিকা নিয়েছেন এটি তাদেরও আক্রান্ত করছে। বাদ পড়ছেন না এর আগে করোনা থেকে সুস্থ হওয়া ব্যক্তিরাও।

জেনেভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডব্লিউএইচও প্রধান বলেছেন, ওমিক্রন ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এর ধারাবাহিক প্রমাণ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. অ্যান্থনি ফাউসি শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, আসন্ন বড়দিনকে ঘিরে ভ্রমণের ফলে ওমিক্রন সংক্রমণ আরও বাড়বে। তিনি মনে করেন, দুই ডোজ টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যেও সংক্রমণ বাড়বে। ওমিক্রনের সংক্রমিত করার ব্যাপক সক্ষমতা রয়েছে। এটা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

করোনাভাইরাস মানবদেহে সংক্রমণের পর অসংখ্যবার রূপবদল করলেও এক বছরের বেশি সময় পর ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট মহামারীর মাত্রা ভয়াবহ করে তোলে। এরপর টিকা যখন মহামারী নিয়ন্ত্রণের আশা দেখাচ্ছে, তখন দক্ষিণ আফ্রিকায় ধরা পড়ে ভাইরাসটির নতুন রূপ ওমিক্রন। এরপর থেকে বিশ্বে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে করোনার নতুন ধরনটি। ইতোমধ্যে ৮০টির মতো দেশে শনাক্ত হয়েছে সবচেয়ে সংক্রামক ধরন হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ওমিক্রন।

ওমিক্রন সংক্রমণ দিন দিন গুরুতর রূপ নিচ্ছে যুক্তরাজ্যে। ইতোমধ্যে দেশটিতে ওমিক্রন ধরনে আক্রান্ত হয়ে ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বাংলাদেশেও জিম্বাবুয়ে থেকে দেশে ফেরা দুই নারী ক্রিকেটারের দেহে ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে।