পর্নো তারকা মিয়া খলিফার টিকটক

2620

বিনোদন ডেস্ক: নিজের ভবিষ্যত কন্যাসন্তান নিয়ে টিকটকে পোস্ট দিয়ে আবার সমালোচিত সাবেক পর্নো তারকা মিয়া খলিফা। ওই পোস্টে তিনি বলেছেন, তার মতো বক্ষযুগল স্ফীত করাতে তার কন্যার প্রয়োজন হবে ১৩ হাজার ডলার। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় চলছে। আর মিয়া খলিফার ওই টিকটক ভাইরাল হয়ে গেছে। বুধবার সকালে তিনি টিকটকে নিজের ভবিষ্যত কন্যাশিশুকে নিয়ে ওই পোস্ট দিয়েছেন। এরই মধ্যে তা ভিউ হয়েছে ৭৩ লাখ বার। টিকটকে আছে তার তিন কোটি ২ লাখ অনুসারী। এ খবর দিয়েছে অনলাইন নিউ ইয়র্ক পোস্ট।

টিকটকের ক্যাপশন দিয়েছেন ‘সরি বেবিস’।

এতে ২৮ বছর বয়সী মিয়া খলিফাকে দেখা যায় তার ও তার ভবিষ্যত বংশধরদের নিয়ে আলোচনা করছেন। এতে তার কল্পিত মেয়েকে বলতে শোনা যায়, মা আমি তোমার মতো বড় হতে আর দেরি করতে পারছি না। প্রতিক্রিয়ায় মিয়া খলিফা বলেন, তোমার মা বক্ষযুগল স্ফীত করতে খরচ করেছে ১৩ হাজার ডলার। আর নাকের পিছনে খরচ করেছে ১৫ হাজার ডলার। সুতরাং তোমার উচিত এখন থেকেই অর্থ সঞ্চয় করা।

এসব নিয়ে অনুসারীরা ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন। কেউ বলছেন, আমরা সম্মানের সঙ্গে বলছি- এতদিন তো মনে করেছিলাম মিয়া খলিফার এসব জিনিস বাস্তব। আরেকজন বলছেন, আরে না। এসব বাস্তব না। বানানো। আরেকজন মজা করে লিখেছেন, এটা একটা ভাল বিনিয়োগের ক্ষেত্র। কিছু কিছু টিকটক প-িত আবার এর সঙ্গে তুলনা করেছেন আরেক খুল্লামখুল্লা কিম কারদাশিয়ানের সঙ্গে। কৌতুক করে তারা বলেছেন, কারদাশিয়ান শারীরিক কাজপ্রেমী। সম্ভবত তার মতো ১৮ বছর বয়সেই প্লাস্টিক সার্জারি করানো হবে।

আবার কোনো কোনো সমালোচক বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। কারণ, মিয়া খলিফা পর্নো তারকা হিসেবে মাত্র ১২ হাজার ডলার উপার্জন করেছেন। তাহলে তিনি এত ব্যয়বহুল অপারেশন করানোর খরচ কোথায় পেলেন- এমন প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে পর্নো তারকা হিসেবে অভিনয় শুরু করেন মিয়া খলিফা। হিজাব পরে এসব ছবির একটি দৃশ্যে অভিনয় করার কারণে ২০১৮ সালে তাকে হত্যার হুমকি দেয় আইসিস। এর ফলে তিনি আন্তর্জাতিক সংবাদের শিরোনাম হন।

২০১৯ সালে তিনি বলেন, মানুষ মনে করে পর্নো ছবিতে অভিনয় করে আমি লাখ লাখ ডলার আয় করি। আসলে এ ছবিতে অভিনয় করে আমি সব মিলে মাত্র ১২ হাজার ডলার আয় করেছি। এরপরে আর একটি পেনি’রও মুখ দেখিনি। পর্নো ছবিতে অভিনয় করার পর একটি স্বাভাবিক কাজ পাওয়া খুবই কঠিন।

লেবাননের নাগরিক মিয়া খলিফা। তিনি বলেছেন, মাত্র তিন মাসের জন্য পর্নো ছবিতে অভিনয় করেছেন। তা সত্ত্বেও ওই জগতে এখনও সবচেয়ে বড় তারকাদের সঙ্গে তার নাম উত্থাপিত হয়। এ জগত ছাড়ার পরও অনেকদিন ধরে তিনি এখনও ২ নম্বর র‌্যাংকিংয়ে আছেন।