ওয়ানবাংলানিউজ: বাংলাদেশে প্রশাসনের কিছু পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, সাদা পোশাকে ডিভি পুলিশ পরিচয়ে বিরোধীদলীয় নেতা কর্মী, আলেম-উলামা, সাংবাদিক, ও সাধারন মানুষেদের উপর নির্যাতন, গুম, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে “নিরাপদ বাংলাদেশ চাই” ইউকে শাখার উদ্দ্যোগে গত ৯ আগস্ট সোমবার পূর্ব লন্ডনে একটি হল রুমে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্বে করেন সংগঠনের সহ সভাপতি দিলোয়ার হোসেন ও সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বুরহান চৌধুরীর।
উক্ত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা আশিকুর রহমান আশিক। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট ইউকের সেক্রেটারী, সাইফুর রহমান পারভেজ, মানবাধিকার কর্মী মুসলিম খান, ইউনিভার্সেল ভয়েস ফর হিউম্যান রাইটসের সভাপতি জাকের আহমদ চৌধুরী, মানবাধিকার কর্মী জয়নাল আবেদীন, সেন্টড ফর বাংলাদেশের সেক্রেটারী তরিকুল ইসলাম, জাস্টিজ ফর ভিকটিম’র সেক্রেটারী লায়েক আহমদ, সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম মুকুল, ইস্ট লন্ডন যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ফারিয়া আক্তার সুমী, ইস্ট লন্ডন যুবদলের নেতা লুৎফর রহমান, ইষ্ট লন্ডন যুবদলের সহ সভাপতি আরজানুজামান প্রমূখ।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, জনগনের ভোট চুর আওয়ামীলীগ করে ক্ষমতায় এসে প্রশাসনকে তাদের দলীয় বাহিনীতে পরিনত করে পেলেছে। এই বাহিনী এম, ইলিয়াস আলী সহ রাজনৈতিক নেতা কর্মী দের ঘুম করছে। তৈরি করছে হেলেনা জাহাঙ্গীর, পরিমনী সহ ক্যাসিন সম্রাট।
সাইফুর রহমান পারভেজ বলেন, মুক্তিযুদ্ধ করে যেভাবে দেশ স্বাধীন করা হয়েছিল, আবার আমরা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আওয়ামীলীগকে বাংলাদেশ থেকে বিতারিত করব ইনশাআল্লাহ।
মুসলিম খান তার বক্তব্যে বলেন, প্রশাসন হল জনগনের সেবক, সেই প্রশাসন প্রতিদিন মানুষ খুন,গুম অন্যায় ভাবে নির্যাতন করছে। মীর কাশেম আলীর ছেলে ব্যারিস্টার আরমান, অধ্যাপক গোলাম আযমের ছেলে আবদুল্লাহিল আমান আযমী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (সাবেক) ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এম,ইলিয়াস আলীকেও আওয়ামীলীগে প্রশাসন বাহিনী গুম করেছে।
জয়নাল আবেদীন তার বক্তব্যে বলেন, আওয়ামীলীগ হল স্বৈরাচার, ভোর চুর সরকার, আমরা আর এই ভোট চুর সরকারকে দেখতে চাইনা। জাকের আহমদ চৌধুরী বলেন, উন্নয়নের নামে তারা আজ দূর্নীতি করছে। এই দূর্নীতিবাজ সরকারকে বাংলাদেশে দেখতে চাই না।
শিবির নেতা তরিকুল ইসলাম বলেন,আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিরোধীদলীয় নেতা কর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে রেখেছে। বিশ্ব বরন্য আলেম আল্লামা দিলোয়ার হুসাইন সাঈদী সহ সকল রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তি দাবী করেন।
সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম মুকুল বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন করে সংবাদ পত্র ও সাংবাদিকতাকে বন্ধ করছে সরকার। আমার এই আইন বাতিল চাই। যুবদল নেতা আরজানুজামান বলেন, বিএনপির কান্ডারী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে জনগণ থেকে দুরে রাখতে চায়। আমরা বেচে থাকতে তা হতে দিবনা।
সভাপতির বক্তব্যে দেলোয়ার হোসেন বলে,আমরা সবাই ঐক্য হয়ে এই আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তলতে হবে।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন জাস্টিজ ফর ভিকটিমর সহ সভাপতি সৈয়দ মোজাক্কির আহমদ,” নিবাচা’র সহ সভাপতি আলী হোসেন, বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী,সাবেক জাময়াত নেতা আরিফ আহমদ, নিবাচ’র উপদেষ্টা মোঃআবুল কালাম, সাবেক মজলুম ছাত্র নেতা মোঃআব্দুল করিম, ইআরআই’র সহ সেক্রেটারী মোর্শেদ আহমদ খান, মানবাধিকার কর্মী, সাবেক ছাত্র দল নেতা মির্জা আবুধাবি আহমদ, বিসিআরএ’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃমাহবুবুর রহমান,বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী মুহাম্মদ আলী, মো : রায়হান উদ্দীন,মিডিয়া সেক্রেটারী, অনলাইন এক্টিভিসট ফোরাম, দেলোয়ার হোসেন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক অনলাইন এক্টিভিসট ফোরাম,
জামায়াত নেতা আহমদ আলী,মদন মোহন কলেজের সাবেক ছাত্র দল নেতা নজরুল ইসলাম, ইস্ট লন্ডন যুবদলের মোঃরমজান সরদার রাজা,আবু খালেদ, মানবাধিকার কর্মী আব্দুস সামাদ খান,মাহফুজুর রহমান, ঐক্য ফ্রন্টের অফিস সম্পাদক বি,এম,এম,তামজিদ, জামায়াত নেতা মোঃআলম আহমদ,মিফতাহ উদ্দীন, ছাত্র দলের মোঃ তারেকুল ইসলাম,সাবেক ছাত্র শিবির নেতা ফকরুল মিয়া,মোঃফরহাদ আলী,আসাদুল হক,মোঃজাকির হোসেন, মিছবাউল ইসলাম জুনেদ,হাছান আহমদ,হাসান শেখ, ইকবাল হোসেন,বেলাল আহমেদ, সাবেক ছাত্র দল নেতা আলী উজ্জ্বল শেরওয়ান আলী,ফয়সল আহমদ,তোফায়েল আহমদ.
ইস্ট লন্ডন যুবদলের নেতা রাসেদ আহমদ চৌধুরী, সৈয়দ রুহেল শাহজাহান আহমদ , মানবাধিকার কর্মী আবু সাঈদ ইমন, মশিউর রহমান, মাহবুবুর রহমান, গোলজার হোসেন, আব্দুর রহমান, নাজিম উদ্দীন, রায়হান উদ্দীন,সাহাব উদ্দীন,মোশাররফ হোসাইন, মোঃআমিনুল ইসলাম সফর,ইমদাদুল হক মিশু,কামরুল হাসান রাকিব, মারুফ আহমদ, শেরুজজামান(জামান),ইআরআই’র আবু জাফর আব্দুল্যাহ,নিবাচা’র ও সাবেক শিবির নেতা মোঃনুরুজজামান,ফরহাদ, রাকিব প্রমূখ।















